বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মশিউর রহমান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি ভিডিওবার্তা প্রকাশ করেছেন। সেখানে তিনি দাবি করেছেন, জামায়াত-শিবির, বিএনপির কাছে টাকা খেয়ে আন্দোলনকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করছেন মামুন, রাশেদ, ফারুক ও নুর। এ বক্তব্যের সত্যতা নিশ্চিত করতে বারবার চেষ্টা করেও মশিউরকে ফোনে পাওয়া যায়নি। কমিটির আরেক যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খান দাবি করেছেন, মশিউরকে ছাত্রলীগ তুলে নিয়ে গেছে। তার কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।
শনিবার (৩০ জুন) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ। এ সংবাদ সম্মেলনে আসার আগেই ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ওপর দফায় দফায় হামলা চালায়। এরপর দুপুর ২টা ২৪ মিনিটে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহবায়ক মশিউর রহমানের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিওবার্তা প্রকাশ করা হয়।
ভিডিওতে মশিউর রহমানকে কথা বলতে দেখা যায়। তিনি বলেন, ‘আমি মশিউর রহমান। এই কোটা সংস্কার আন্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক। আমি শুধুমাত্র এই বৈষম্য দূর করার জন্য আন্দোলনে এসেছিলাম। এর পেছনে কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল না। কোনও অর্থনৈতিক উদ্দেশ্যও ছিল না। শুধুমাত্র কোটা সংস্কার করার জন্যই আন্দোলনে এসেছিলাম। কিন্তু বর্তমানে এই আন্দোলন ভিন্ন খাতে প্রবাহিত। রাশেদ, ফারুক, মামুন, নুর— ওরা এটাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করেছে। ওরা জামায়াত-শিবির, বিএনপির কাছ থেকে টাকা খেয়েছে। তাই আমি আজকে থেকে এই আন্দোলনের সঙ্গে আর নেই। আমি নিজের নৈতিক দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে এই আন্দোলন থেকে পদত্যাগ করলাম। আপনারা সবাই ভালো থাকবেন। ধন্যবাদ।’
এদিকে এ বক্তব্যের সত্যতা জানতে মশিউরের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ধরেননি। অন্যদিকে কোটা সংস্কার আন্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খান বাংলা ট্রিবিউনের কাছে দাবি করেন, ‘ছাত্রলীগ দুপুরের আগেই মশিউরকে হল থেকে তুলে নিয়ে গেছে। সে কোথায় আছে তা আমি এখনও জানতে পারিনি।’








