২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার আসামি সাবেক এএসপি আব্দুর রশিদ পক্ষ আরও যুক্তিতর্ক শুনানি বুধবার (৪ জুলাই)। মঙ্গলবার (৩ জুলাই) নাজিমউদ্দিন রোডে পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারের পাশে স্থাপিত ঢাকার ১ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নুর উদ্দিন আদালতে নবম দিনের যুক্তিতর্ক শুনানি চলে। শুনানি শেষ না হওয়ায় আদালত নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের আদালতে বেঞ্চ সহকারী ওয়ালী উল্লাহ বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য জানান।
মঙ্গলবার আদালতে আসামি আব্দুর রশীদের পক্ষে আইনজীবী আব্দুস সোবহান তরকদার যুক্তি উপস্থাপন করেন। রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী সৈয়দ রেজাউর রহমান এ সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ভয়াবহ গ্রেনেড হামলায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। হামলায় আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত হন। আহত হন দলের তিন শতাধিক নেতাকর্মী।
ঘটনার পরের দিন মতিঝিল থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) ফারুক আহমেদ বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলাটি প্রথমে তদন্ত করে থানা পুলিশ। পরে তদন্তের দায়িত্ব পায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। পরবর্তী সময়ে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
২০০৮ সালের ১১ জুন মুফতি হান্নানসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন সিআইডির সিনিয়র এএসপি ফজলুল কবির। ২০০৯ সালের ৩ আগস্ট রাষ্ট্রপক্ষ মামলাটি অধিকতর তদন্তের আবেদন করলে ট্রাইব্যুনাল তা মঞ্জুর করেন। মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পান সিআইডির পুলিশ সুপার আবদুল কাহ্হার আখন্দ। তিনি ২০১১ সালের ৩ জুলাই তারেক রহমানসহ ৫২ জনের নামে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দু’টি অভিযোগপত্র দেন।
এদিকে, জামায়াতের সাবেক সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, জঙ্গি নেতা মুফতি হান্নান ও জেএমবি সদস্য শহিদুল আলম বিপুলের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ায় মামলা থেকে তাদের নাম বাদ দেওয়া হয়। ফলে এ মামলায় এখন আসামির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৯ জন। এর মধ্যে তারেক রহমানসহ ১৮ জন পলাতক। জামিনে আট জন। কারাগারে রয়েছেন ২৩ জন।








