২৭ জুলাই থেকে ২ আগস্ট পর্যন্ত সময়ে পর্যাপ্ত যাত্রীর অভাবে ১০টি ডেটিকেটেড হজ ফ্লাইট বাতিল করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। অব্যাহত যাত্রী সংকটে আরও ফ্লাইট বাতিল হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার (২ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শঙ্কা প্রকাশ করে এয়ারলাইন্স জানায়, আগামী ৩ আগস্ট থেকে ৭ আগস্ট পর্যন্ত জেদ্দা ও মদিনাগামীসহ আরও ছয়টি ফ্লাইট যাত্রী অভাবে বাতিলের আশঙ্কা আছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আনুমানিক দুই হাজার ৪০০ ক্যাপাসিটি হারাতে হবে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে এবং এসব হজযাত্রীর হজযাত্রা নিশ্চিত করতে ৩ আগস্ট হতে ৭ আগস্ট হজ ফ্লাইটগুলোর অনুকূলে হজ এজেন্সিগুলোকে দ্রুততার সঙ্গে টিকেট সংগ্রহের জন্য জরুরি তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স জানায়, বার বার তাগাদা দেওয়া সত্ত্বেও হজ এজেন্সিগুলো যথাসময়ে টিকেট না কেনায় একের পর এক ফ্লাইট বাতিলের মতো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির তৈরি হয়েছে। যাত্রী স্বল্পতা ও ফ্লাইট বাতিলের কারণে এ পর্যন্ত বিমানের ক্যাপাসিটি লস হয়েছে চার হাজার। বিমান প্রতিদিনই ৫২৮ হজ এজেন্সিকে ই-মেইলের মাধ্যমে কোন ফ্লাইটে কত সিট খালি আছে সে বিষয়ে আপডেট জানাচ্ছে। দ্রুত টিকেট কেনায় তাগিদ দিচ্ছে।
এ বছর সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাড়িভাড়া ও ভিসার আগেই টিকেট কেনার নির্দেশনা থাকলেও অনেক এজেন্সি এখনও তাদের নির্ধারিত টিকেট কেনেনি। হজ শুরুর ৫০ দিন আগে বিমানের হজ টিকেট বেচা শুরু হলেও এজেন্সিগুলো সময়মতো টিকেট না নেওয়ায় এখনও পাঁচ হাজার ৭০০ হজ টিকেট অবিক্রিত রয়েছে। এ বছর সৌদি কর্তৃপক্ষ বিমানের জন্য নির্ধারিত স্লটের বাইরে অতিরিক্ত কোনও স্লট বরাদ্দ করবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ফ্লাইট বাতিলের ধারা অব্যাহত থাকলে সব হজযাত্রীকে সৌদি আরবে পৌঁছানোর বিষয়টি অনিশ্চিত হয়ে পড়বে।








