সোরিয়াসিস, লেপরোসিসসহ (কুষ্ঠ রোগ) অন্যান্য জীবাণুবাহিত চর্মরোগের নিয়ন্ত্রণ জরুরি। এ জন্য প্রয়োজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের নিরন্তর গবেষণা ও চিকিৎসাসেবায় মনোনিবেশ।
আজ রবিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) চর্মরোগ বিষয়ে সর্বশেষ অগ্রগতি নিয়ে বৈজ্ঞানিক এক সেমিনারে এসব কথা বলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শহীদুল্লাহ সিকদার।
বিএসএমএমইউ’র চর্ম ও যৌনব্যাধি বিভাগের উদ্যোগে ঢাকা ক্লাবের স্যামসন এইচ চৌধুরী লাউঞ্জে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। ডা. মো. শহীদুল্লাহ সিকদার বিএসএমএমইউ’র চর্ম ও যৌনব্যাধি বিভাগের চেয়ারম্যানও।
সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘সমসাময়িক রোগ সম্পর্কে আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের গবেষণার সব মেধাকে কাজে লাগিয়ে বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমাদেরকে সুস্থ-সবল জাতি গড়ে তুলতে হবে। কারণ, উন্নয়নের পূর্বশর্ত হলো সুস্থ, সবল ও প্রশিক্ষিত জনবল। বাংলাদেশে চর্ম রোগের ক্ষেত্রে আধুনিক চিকিৎসার মাধ্যমে অনেক সাফল্য অর্জন করা ইতোমধ্যেই সম্ভব হয়েছে।’
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এ কে এম মোজাম্মেল হক বলেন, ‘চিকিৎসার ক্ষেত্রে বর্তমান সরকারের আমলে ব্যাপক পরিবর্তন হয়েছে। স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে বর্তমান সরকার ১২ হাজার চিকিৎসক, ১৫ হাজার নার্স ও প্রয়োজনীয় সংখ্যক স্বাস্থ্য সহকারী নিয়োগ দিয়েছে। গণমানুষকে সেবা দিতে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তৃণমূলে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতেই বর্তমান সরকার গ্রামেগঞ্জে আবারও কমিউনিটি ক্লিনিক চালু করেছে।’
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. মশিউর রহমান রাঙ্গা হাতুড়ে চিকিৎসকদের বিষয়ে রোগীদের আরও বেশি সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন চিকিৎসার বিষয়ে রোগী বা তাদের স্বজনদের কোনও অভিযোগ থাকলে তাদের অ্যাসোসিয়েশন অথবা বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলকে (বিএমডিসি) জানাতে অনুরোধ করেন।








