রাজধানীতে পৃথক ঘটনায় বুধবার (৩ অক্টোবর) ৪ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. বাচ্চু মিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ৪টি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, তেজগাঁওয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মো. সুজন (২৫), শাহবাগের চানখারপুলে নির্মাণাধীন ভবনে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে পলাশ (২২), গুলশানে নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে ইমন হোসেন ইমু (২৫) ও মোহাম্মদপুরে গলায় ফাঁস দিয়ে সমুন বিশ্বাস (৪০) নামে ৪ জন শ্রমিক মারা গেছেন।
জানা যায়, তেজগাঁওয়ের তেজতুরীবাজার রোডে একটি প্রোপার্টিজ কোম্পানির নির্মাণাধীন বহুতল ভবনের নিচতলায় দুপুরে কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন সুজন। পরে সহকর্মীরা ঢামেক হাসপাতালে নেওয়ার পর দুপুর ২টায় চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত সুজন টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর উপজেলার জামাল হোসেনের ছেলে।
এদিকে গুলশান ২-এর ১০০ নম্বর রোডের একটি বহুতল ভবনের দ্বিতীয় তলা থেকে নির্মাণসামগ্রী নামানোর সময় পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন ইমু। পরে সহকর্মী রিপন তাকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তাররা মৃত ঘোষণা করেন। নিহত ইমু মাগুরা সদর উপজেলার সোলেমান মিয়ার ছেলে।
অন্যদিকে শাহবাগ থানার চানখারপুলে নির্মাণাধীন বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের বহুতল ভবনের দ্বিতীয়তলায় কাজ করার সময় বুধবার সকালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন পলাশ (২২) নামে এক শ্রমিক। পরে সহকর্মী মজনু তাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে চিকিৎসকরা বিকাল ৫টা ২০ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত পলাশ মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার মো. রিয়াদুলের ছেলে।
একই দিন ভোরে মোহাম্মদপুর তাজমহল রোডের একটি বাসায় সুমন বিশ্বাস (৪০) নামে এক শ্রমিক ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন বলে জানান তার স্ত্রী। এরপর স্ত্রী নন্দিতা সকাল ৭টার দিকে তাকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসার পর চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।








