বিশ্ব সেরিব্রাল পালসি দিবস পালিত হয়েছে শনিবার (৬ অক্টোবর)। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) ইনস্টিটিউট অব পেডিয়াট্রিক নিউরোডিজঅর্ডার অ্যান্ড অটিজমের (ইপনা) উদ্যোগে দিবসটি উপলক্ষে র্যালি ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
র্যালিতে বিএসএমএমইউয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়াসহ অংশ নেন ইপনার পরিচালক অধ্যাপক ডা. শাহীন আখতার, উপ-পরিচালক (প্রশাসন) ডা. যোগেন কুমার কুন্ডু, উপ-পরিচালক (অ্যাকাডেমিক) ডা. কানিজ ফাতেমা প্রমুখ।
র্যালি শেষে রোগটি সম্পর্কে এক বিশেষ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এতে ‘এ হলিস্টিক অ্যাপ্রোচ টু সেরিব্রাল পালসি’ শিরোনামে নিবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক ডা. শাহীন আখতার ও অধ্যাপক ডা. শহিদুর রহমান।
নিবন্ধে বলা হয়, সেরিব্রাল পালসি মস্তিষ্কের একটি স্থায়ী ও নন-প্রগ্রেসিভ ধরনের (যা আর বাড়বে না) স্নায়বিক ভারসাম্যহীনতা যা গর্ভাবস্থায় বা জন্মের পর শিশুদের মস্তিষ্ক গঠনের সময়ে কোনও ধরনের আঘাতজনিত কারণে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের নড়াচড়া, পেশির সক্ষমতা, সমন্বয় ও ভারসাম্যকে ব্যাহত করে।
নিবন্ধে বলা হয়, বিশ্বের ৭০ লাখ মানুষ সেরিব্রাল পালসি রোগে আক্রান্ত। তাদের সঙ্গে বিভিন্নভাবে জড়িয়ে আছে ৩৫ কোটি মানুষ।








