ডিএসসিসির পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য চার আবাসিক ভবনের উদ্বোধন

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
০৮ অক্টোবর ২০১৮, ১৯:৪৬আপডেট : ০৮ অক্টোবর ২০১৮, ১৯:৪৮

 



ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ডিএসসিসির পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য নির্মিত চারটি আবাসিক ভবনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য নির্মিত চারটি আবাসিক ভবন উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার (৮ অক্টোবর) বিকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তিনি ধলপুর ও দয়াগঞ্জে নির্মিত এ চারটি ভবনের উদ্বোধন করেন। উদ্বোধন হওয়া এসব ভবনে আবাসনের আধুনিক সব সুবিধা বিদ্যমান রয়েছে।

ডিএসসিসি সূত্র জানায়- ২০১২ সালের ২৪ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একনেক সভায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের পুনর্বাসনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ভেঙে নতুন ভবন নির্মাণের অনুশাসন প্রদান করেন। এর পর পূর্বের ঝুঁকিপূর্ণ ১২টি ৪ তলা ভবন ভেঙে ১৩টি ১০ তলা ভবনে মোট এক হাজার ১৪৮টি ফ্ল্যাট নির্মাণের জন্য ডিপিটি প্রণয়ন করা হয়। পরে ২০১৩ সালের ১ অক্টোবর প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়। পুরো প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৯০ কোটি টাকা।

মোট ১৩টি ভবনের মধ্যে দয়াগঞ্জে ৫টি ভবনে ৪৪৩টি ফ্ল্যাট, ধলপুরে ৫টি ভবনের ৪৮০টি ফ্ল্যাট এবং সূত্রাপুরে ৩টি ভবনে ২২৮টি ফ্ল্যাট থাকছে। প্রতিটি ফ্ল্যাটের আকার ৪৭২ বর্গফুট। প্রতিটি ফ্ল্যাটে দুটি শয়ন কক্ষ, একটি রান্নাঘর, একটি টয়লেট ও দুটি বারান্দা রয়েছে। এ ছাড়া প্রতিটি ভবনে লিফট ও সার্বক্ষণিক বিদ্যুতের জন্য জেনারেটর থাকবে। ভবনগুলোতে আলাদা বৈদ্যুতিক সাব স্টেশন ও অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থাও থাকছে।

এ ছাড়া পর্যাপ্ত আলো-বাতাস, কমিউনিটি সেন্টার, খেলাধুলার স্থান রাখা হয়েছে। দলিত সম্প্রদায় পরিচ্ছন্নতার কাজ শেষে উন্নত পরিবেশে নিজের পরিবার-পরিজন নিয়ে যাতে ভালো থাকে এটা বিবেচনা করেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই ভবনগুলো নির্মাণের নির্দেশ দেন। এটি বাস্তবায়ন করছে এলজিইডি।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিএসসিসির মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা পেয়ে দক্ষিণ সিটি করপোরেশন আজ ঘুরে দাঁড়িয়েছে। এরই মধ্যে শহরের ইতিবাচক পরিবর্তন শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে ঢাকা শহরে আরও পরিবর্তন আসবে।

উল্লেখ্য, ২০০৫ সালে ঢাকা সিটি করপোরেশনের অধীনে ‘দয়াগঞ্জ, ধলপুর ও সূত্রাপুর ক্লিনার্স কলোনি নির্মাণ’ শীর্ষক একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। যার ব্যয় ধরা হয়েছিল ২০ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। প্রকল্পের আওতায় ১২টি ৪ তলা ভবন নির্মাণের কথা থাকলেও কাজ শুরু হয় ৯টির। কিন্তু ২০০৭ সালের মে মাসে একটি ভবন ধসে পড়লে বন্ধ হয়ে যায় এগুলোর নির্মাণকাজ।

 

/এসএস/টিটি/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম