মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে ভুয়া জন্মদিন পালন ও যুদ্ধাপরাধীদের মদদ দেওয়ার অভিযোগে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি আগামী ১৩ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।
বুধবার (২৪ অক্টোবর) ঢাকার মহানগর হাকিম আসাদুজ্জামান নুর আসামি পক্ষের সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে এ আদেশ দেন।
এর আগে গত ৩১ জুলাই এ দুই মামলায় ঢাকা মহানগর দায়রা জজ থেকে জামিন পেলেও অন্য মামলায় কারাগারে রয়েছেন বলে আদালতকে জানিয়ে অভিযোগ গঠন শুনানি পেছানোর জন্য সময়ের আবেদন করেন আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার। শুনানি শেষে বিচারক সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য ১৩ নভেম্বর ধার্য করেন।
উল্লেখ্য, যুদ্ধাপরাধীদের মদত দেওয়ার অভিযোগে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ২০১৬ সালের ৩ নভেম্বর ঢাকার মহানগর হাকিম আদালতে বাংলাদেশ জননেত্রী পরিষদের সভাপতি এ বি সিদ্দিকী বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। এ মামলায় ২০১৭ সালের ১২ নভেম্বর খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা ইস্যু করেন।
অন্যদিকে, মিথ্যা তথ্য দিয়ে ভুয়া জন্মদিন পালনের অভিযোগ ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গাজী জহিরুল ইসলাম ২০১৬ সালের ৩০ আগস্ট খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। এ মামলায় ২০১৬ সালের ১৭ নভেম্বর খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ইস্যু করেন।
চিকিৎসাজনিত কারণে পুরান ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিজন সেলে আনা হয়েছে খালেদা জিয়াকে। বর্তমানে সেখানেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় দুর্নীতির দায়ে দণ্ডিত হয়ে এ বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কারাগারে রয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।








