রাজধানীর ইস্কাটনে জোড়া খুনের মামলায় সংসদ সদস্য পিনু খানের ছেলে বখতিয়ার আলম রনির পক্ষে আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানি আগামী ২৬ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।
সোমবার (৫ নভেম্বর) এ মামলায় আসামির আত্মপক্ষ সমর্থন ও অধিকতর যুক্তিতর্কের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু এদিন মামলার বিচারক ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. মঞ্জুরুল ইমাম উপস্থিত না থাকায় পরবর্তী দিন ২৬ নভেম্বর ধার্য করেন আদালত।
আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মাদ মাকসুদর রহমান এসব তথ্য জানান।
২০১৫ সালের ১৩ এপ্রিল রাত পৌনে দুটার দিকে রাজধানীর নিউ ইস্কাটনে একটি কালো রঙের প্রাডো গাড়ি থেকে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়লে অটোরিকশাচালক ইয়াকুব আলী ও রিকশাচালক আবদুল হাকিম আহত হন। পরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারা মারা যান।
ওই বছরের ১৫ এপ্রিল নিহত হাকিমের মা মনোয়ারা বেগম অজ্ঞাত পরিচয় কয়েক জনকে আসামি করে রমনা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
ওই বছরের ৩০ মে এলিফ্যান্ট রোডের বাসা থেকে ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে বখতিয়ার আলম রনিকে আটক করে ডিবি পুলিশ। এরপর থেকে তিনি কারাগারেই রয়েছেন।
এদিকে, গত ১৯ সেপ্টেম্বর মামলাটির যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে আদালত রায়ের জন্য এদিন ধার্য করেন।
এর আগে গত ৮ মে মামলাটি ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে রায় ঘোষণার দিন ধার্য ছিল। কিন্তু ওই দিন বিচারক স্বপ্রণোদিত হয়ে রায় ঘোষণার তারিখ বাতিল করে অধিকতর যুক্তি উপস্থাপনের দিন ধার্য করেন। পরে আসামি পক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মামলাটি দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলি করা হয়।
আসামি রনির পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন ঢাকা বারের সাবেক সভাপতি কাজী নজিবুল্লাহ হিরু। তিনি মামলায় যুক্তি উপস্থাপন করে রনির বেকসুর খালাস দাবি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুস সত্তার দুলাল যুক্তি উপস্থাপন শেষে আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দাবি করেন।
এ মামলায় ২০১৫ সালের ২১ জুলাই ডিবি পুলিশের এসআই দীপক কুমার দাস রনির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। এরপর ২০১৬ সালের ৬ মার্চ রনির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ সামছুন নাহার।








