তরুণ প্রজন্মের দৃষ্টি আকর্ষণ, সচেতনতা এবং প্রতিবাদের চিন্তাধারা বৃদ্ধির জন্য আলোকিত শিশু এবং মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন একত্রে ‘আনলিশিং ইয়ুথ’ (Unleashing Youth) নামে ৬ মাসের একটি প্রকল্প শুরু করতে যাচ্ছে। রাজধানীর কৃষিবিদ ইন্সিটিউটে তারকা, সাংবাদিক, আলোকিত শিশু ও মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের সদস্যদের উপস্থিতিতে এই প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়।
আয়োজকরা জানান, আলোকিত শিশু ও মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন সর্বদাই চেষ্টা করেছে সমাজে কিছু বদল আনতে। যার হাত ধরেই এই প্রকল্পের প্রথম ধাপ আজ শুরু হল। এই প্রকল্পের মধ্যে আরও কিছু ভবিষ্যৎ প্রকল্প গুলো অন্তর্ভুক্ত যার মধ্যে একটি হল ‘সম্প্রীতি’ যেটির বিষয়বস্তু হল “লক্ষ্যযুক্ত ও উন্নত হস্তক্ষেপের মাধ্যমে মৌলবাদ এবং হিংস্রতা প্রতিরোধ।’
আলোকিত শিশুর প্রতিষ্ঠাতা মিঠুন দাস কাব্য এই অনুষ্ঠানে তাদের ছয় মাসের এই প্রকল্পের বিস্তারিত আলোচনা করেন। তাদের প্রকল্পটিতে দেশের ছয়টি জেলায় সেমিনার এবং বিভিন্ন ওয়ার্কশপের পাশাপাশি সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলতে পথ নাটক উপস্থাপন করার পরিকল্পনা রয়েছে।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী তারকা ও সম্মানিত অতিথিরা এ প্রকল্প সম্পর্কে তাদের অনুভুতির প্রকাশ করেন। আলোকিত শিশুর সাথে দীর্ঘদিন এই প্রতিষ্ঠানের একজন উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করছেন অভিনয়শিল্পী শম্পা রেজা। তিনি বলেন, “আমাদের উচিত প্রতিবাদের মাধ্যমে আমাদের মানসিক কাঠামো তৈরি করা যাতে করে আমরা নিজেদের একজন গর্বিত বাঙালি হিসেবে পরিচয় দিতে এবং এই যুব সমাজকে আরও সমৃদ্ধ করতে পারি।’
মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের সম্প্রীতি প্রকল্পের পরিচালক শাহরিয়ার মান্নান বলেছেন, ‘এই প্রজেক্টের মূল লক্ষ্য হল সামাজিক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা করা ও উগ্রবাদের বিরুদ্ধে তরুণ সমাজকে সচেতন করা। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্ব দেয়া হবে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের।“ এশিয়ান টেলিভিশানের নির্বাহী পরিচালক পঙ্কজ বনিক আরও বলেছেন, ‘যারা এই প্রকল্পের সাথে জড়িত তারা হলেন যুবসমাজের ইঞ্জিন ও বগির মত। এই চিন্তাধারার পরিসরকে আরও বড় করার পথে আমরা এশিয়ান টেলিভিশান সবসময় আপনাদের পাশে আছি।’
এই অনুষ্ঠানের মিডিয়া পার্টনার ছিলো বাংলা ট্রিবিউন, বণিক বার্তা ও এশিয়ান টেলিভিশন। এছাড়া ডিজিটাল মার্কেটিং পার্টনার ছিলো ডিজিমার্ক ইন্টারেকটিভ।








