রাজধানী কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সামনে বাসচাপায় শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থী মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় ৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার (৬ নভেম্বর ) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েস সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণ করেন। একইসঙ্গে মামলাটি আগামীকালও সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেন।
মামলার আসামিরা হলেন,জাবালে নূরের মালিক মো. শাহাদাত হোসেন আকন্দ, চালক মাসুম বিল্লাহ, হেলপার মো. এনায়েত হোসেন, চালক মো. জোবায়ের সুমন, অপর বাসমালিক মো. জাহাঙ্গীর আলম ও হেলপার মো. আসাদ কাজী। এদের মধ্যে মো. জাহাঙ্গীর আলম ও মো. আসাদ কাজী পলাতক। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী তাপস কুমার পাল এ তথ্য জানান।
এর আগে, গত ২২ অক্টোবর এ আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ করেন। গত ২৫ অক্টোবর এ আসামিদের বিরুদ্ধে আদালত চার্জ গঠন করেন।
গত ৬ সেপ্টেম্বর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক কাজী শরীফুল ইসলাম এ মামলায় ছয়জনের বিরুদ্ধে ঢাকা মুখ্য মহানগর আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। চার্জশিটে আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ২৭৯, ৩২৩, ৩২৫, ৩০৪ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়। চার্জশিটে ৪১ জনকে সাক্ষী এবং ছয় ধরনের আলামত জব্দ দেখানো হয়, যার মধ্যে রয়েছে তিনটি বাস এবং তিনটি ড্রাইভিং লাইসেন্স।
গত ২৯ জুলাই দুপুরে কালশি ফ্লাইওভার থেকে নামার সময় এমইএস বাসস্ট্যান্ডে ১৫/২০ জন শিক্ষার্থী দাঁড়িয়ে ছিলেন। জাবালে নূর পরিবহনের একটি বাস ফ্লাইওভার থেকে নামার সময় মুখেই দাঁড়িয়ে যায়। এ সময় পেছন থেকে আরেকটি দ্রুতগতি সম্পন্ন জাবালে নূরের বাস ওভারটেক করে সামনে আসতেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললেই পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায় দুইজন এবং আরও বেশ কয়েকজন আহত হন।
ওই ঘটনায় ক্যান্টনমেন্ট থানায় নিহত মিমের বাবা জাহাঙ্গীর আলম এ মামলা দায়ের করেন।








