জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ও পরবর্তীতে বাংলাদেশের সব জাতিগত ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের জীবনমান, অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণসহ সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সমঅধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ৫ দফা দাবি জানিয়েছে মাইনরিটি রাইটস ফোরাম বাংলাদেশ।
শুক্রবার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে আয়োজিত ‘জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সংখ্যালঘুর অধিকার’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক থেকে এ দাবি উত্থাপন করা হয়।
অনুষ্ঠানে আলোচকের বক্তব্যে ঢাবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাসরিন আহমাদ বলেন, ‘ক্ষোভ হতাশা থেকে অনেকেই এখানে অনেক কথা বলেছেন, যা যথার্থ। সংখ্যালঘু কিংবা সংখ্যাগরিষ্ঠ সকলেরই ক্ষোভ ও হতাশা রয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নের্তৃত্বে বাংলাদেশ অনেক এগিয়েছে। রোল মডেল হয়েছে। কিন্তু এখনও এই দেশেই আমরা সংখ্যালঘু নির্যাতন, জমি দখল, পূজার মূর্তি, মণ্ডপ ভাঙচুরের খবর পাচ্ছি। আমরা ধর্মকে রাজনীতির বিশেষ হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার কারণে এটা বন্ধ হচ্ছে না।’
মাইনরিটির মধ্যে প্রায় ৬ লাখ দলিত জনগোষ্ঠী যেন এবার প্রত্যেকে নিরাপদে ভোট দিতে পারেন, তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।
মাইনরিটি রাইটস ফোরাম বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মানস কুমার মিত্রের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে ঐক্য ন্যাপের সভাপতি শ্রী পংকজ ভট্টাচার্য, ঢাবির জগন্নাত হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. অসীম কুমার, সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী মনজিল মোরশেদ, ফরিদপুর জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট প্রদীপ কুমার দাস বক্তব্য রাখেন।
আদিবাসী যুব পরিষদের সভাপতি হরেন্দ্র নাথ সিং বলেন, ‘রাষ্ট্র অন্ধ ও সাম্প্রদায়িক হয়ে যাচ্ছে। আর এটা করার ক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই বর্তমান সরকারও। গত ২-৩ মাস আগে সরকার পরিপত্র জারি করে বলেছে আদিবাসী বলা যাবে না। আদিবাসীদের অধিকার রক্ষায় কথা বলার কারণে গ্রেফতার হয়েছিলাম।’








