জাতীয় সংসদকে রাজাকার ও সাম্প্রদায়িকমুক্ত রাখার সংগ্রামে আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রানা দাশগুপ্ত। রবিবার (২ ডিসেম্বর) রাজধানীতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
লিখিত বক্তব্যে রানা দাশগুপ্ত বলেন, ‘আমরা দেশবাসীর সামনে দৃঢ়ভাবে বলতে চাই, এবারের সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সরকার ও পার্লামেন্ট গঠনের দাবিতে আমরা যেমন সোচ্চার, একইভাবে রাজাকার, সাম্প্রদায়িক, স্বাধীনতাবিরোধী, সংখ্যালঘু নির্যাতনকারী ও ভূমিদস্যুদের কবল থেকে পার্লামেন্টকে মুক্ত রাখার সংগ্রামেও আমরা গণতন্ত্রকামী, মুক্তিকামী জনগণের মতোই অবিচল ও প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।’
সংবাদ সম্মেলন তিনি বলেন, ‘১৯৯১ সালের পর থেকে এ পর্যন্ত জনপ্রতিনিধি হয়ে যারা সংখ্যালঘুর স্বার্থবিরোধী সাম্প্রদায়িক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ছিল, আমরা আশা করছিলাম এমন সব বিতর্কিত ব্যক্তি এবারে দল ও জোটের মনোনয়ন থেকে বাদ পড়বে। কেউ কেউ বাদ পড়লেও বিতর্কিত ব্যক্তিদের বেশির ভাগই আবার প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন নিয়েছে।’
রানা দাশগুপ্ত বলেন, ‘এরই মধ্যে নানা দল ও জোট নির্বাচনি ইশতেহার প্রণয়ন করেছে। তাদের সবার কাছে আমাদের দাবি—সংখ্যালঘুদের জন্য নিদিষ্ট মন্ত্রণালয় করতে হবে, জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন গঠন করতে হবে, অর্পিত সম্পত্তি আইন দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে ও পার্বত্য চুক্তি শিগগিরই বাস্তবায়ন করতে হবে।’
নির্বাচনকালীন সময়ে সরকারের প্রতি কেমন দাবি রয়েছে— এমন এক প্রশ্নের জবাবে রানা দাশগুপ্ত বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘নির্বাচনের আগে সরকারের প্রতি আমাদের তিনটা দাবি রয়েছে। নাগরিক হিসেবে সবাইকে সমান সুযোগ প্রদান, সংখ্যালঘুদের নির্যাতন ও দেশত্যাগে বাধ্যকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা, সংখ্যালঘুদের ক্ষমতায়ন ও অংশীদারিত্ব বাস্তবায়ন।
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের অন্যান্য সদস্য উপস্থিত ছিলেন।








