দেশে ফেক নিউজের ছড়াছড়ি বলে মন্তব্য করেছেন মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার চেয়ারম্যান সিগমা হুদা। তিনি বলেন, ‘যেসব নিউজের কোনও ডকুমেন্ট নেই, সেসব নিউজই ফেক নিউজ। ফেক নিউজ করলে কারও শাস্তি হয়, আবার কারও কোনও কিছুই হয় না।’
শনিবার (২২ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে জাতিসংঘ ঘোষিত সনদের ৭০ বছর উদযাপন উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব মন্তব্য করেন। এইসময় তিনি সম্প্রতি বন্ধ হয়ে যাওয়া অনলাইন নিউজ পোর্টালগুলো চালুর ব্যাপারে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।
সিগমা হুদা বলেন, ‘১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের জন্য দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। আর এজন্যই আমাদের স্বাধীনতা পাওয়া দ্রুত সম্ভব হয়েছিল। এখন দেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে একজোট হয়ে প্রতিবাদ ও ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিকার করলে নিশ্চয়ই মানবাধিকার সমভাবে বহাল থাকবে। দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় থাকবে। কোনোভাবেই মানবাধিকার হরণ হতে দেওয়া যাবে না।’
আলোচনা সভায় অন্যান্যরা বলেন, মানবাধিকার সনদের ইতিহাস একদিনে গঠিত হয়নি। বিভিন্ন অত্যাচার, অবিচার নির্যাতন ও দাসত্ব মানুষের জীবনে এক করুণ অধ্যায়। এসবের বিরূপ প্রতিক্রিয়ার ফল থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পৃথিবীতে মানবাধিকার সংক্রান্ত আইনের বিকাশ ঘটে। যা পরিণত হয় ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর। ফলে ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর থেকে দিবসটি বিশ্ব মানবাধিকার দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।
আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক লাইলুফার ইয়াসমিন, ব্যারিস্টার আফতাব উদ্দিন আহমেদ ও সুবিধাবঞ্চিত নারী নেতা মিসেস আছমা বেগম।








