নোয়াখালীর সুবর্ণচরের স্বামী-সন্তানদের বেঁধে রেখে এক নারীকে (৪০) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় ধর্ষক ও পৃষ্ঠপোষকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবিতে মানববন্ধন করেছে ‘নারী সংহতি’। রবিবার (৬ জানুয়ারি) বিকালে রাজধানীতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন করা হয়েছে।
নারী সংহতির সভাপতি শ্যামলী শীল বলেন, ‘কোনও নারী যদি তার স্বাধীনভাবে ভোটের অধিকার নিশ্চিত করতে চান, তবে তাকে ধর্ষণের ভিতর দিয়ে যেতে হয়! নারীর গণধর্ষণের ভেতর দিয়ে আজকের যে সরকার গঠিত হলো, সে লজ্জা থেকে আমরা মুক্তি পাব না যতদিন না পর্যন্ত এই সরকারের বৈধতাকে আমরা সাহসের সঙ্গে চ্যালেঞ্জ করতে পারবো।’
নারী সংহতির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট জান্নাতুল মরিয়ম তানিয়া বলেন, “মাদক নিয়ে গত ছয় মাস ধরে ‘জিরো টলারেন্স’ চলছে। কিন্তু কখনও দেখিনি ধর্ষণের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ হয়েছে।”
মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন নারী সংহতির সহ-সভাপতি তাসলিমা আক্তার, সদস্য পপি রানী সরকার, লেখক অরূপ রাহী এবং ছাত্র ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট গোলাম মোস্তফা প্রমুখ। মানববন্ধন শেষে প্রেস ক্লাব চত্বরে একটি বিক্ষোভ মিছিল করেন তারা।
নির্যাতনের শিকার ওই নারী গত ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিতে গেলে কেন্দ্রে থাকা কয়েকজন যুবক তাকে নিজেদের পছন্দের প্রতীকে ভোট দিতে বলে। এতে রাজি না হলে ওই নারীকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয় তারা। এরপর ওই দিন রাতে ১০-১২ জন যুবক ঘরে ঢুকে প্রথমে স্বামী-স্ত্রী দুজনকে মারধর করে। পরে স্বামী ও সন্তানদের বেঁধে রেখে ওই নারীকে ঘরের বাইরে নিয়ে ধর্ষণ করে তারা।
এ ঘটনায় ওই নারীর স্বামী ৯ জনের নাম উল্লেখ করে গত ৩১ ডিসেম্বর চরজব্বর থানায় মামলা দায়ের করেন।








