‘তরুণ মন্ত্রিসভা’ শীর্ষক বৈঠকিতে বাংলা ট্রিবিউনের বিশেষ প্রতিনিধি শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘একটি সুখবর দিয়ে বলতে চাই, বাংলাদেশ বিশ্ব অর্থনীতিতে ৪৩তম স্থান থেকে ৪১তম স্থানে উঠে এসেছে। সরকারের লক্ষ্য, ২০৩০ সালের মধ্যে সূচক ৩০-এ নিয়ে আসা। সেখানে নতুন সরকার যখন দায়িত্ব গ্রহণ করলো, ঠিক সেই সময়ে বাংলাদেশ দুই ধাপ এগিয়েছে। এখন এই মন্ত্রিসভা থেকে আমি বাদ দেওয়া শব্দটির সঙ্গে একমত নই। কারণ হচ্ছে, গতকাল যারা বিদায় নিয়েছেন, সব মন্ত্রণালয় থেকে তারা আনুষ্ঠানিক বিদায় নিয়েছেন। আমি অর্থমন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী এবং নৌপরিবহন মন্ত্রীর বিদায়ী সংবর্ধনায় উপস্থিত ছিলাম। তারা প্রত্যেকেই একটি কথা বলেছেন, নতুনদের জায়গা করে দিতে হবে।
‘এছাড়াও বিদায়ী মন্ত্রীরা আরেকটি কথা বলেছেন, “রাষ্ট্র, দেশ পরিচালনায় এবং দল পরিচালনার জন্য যোগ্য নেতা তৈরি করতে হবে।” এই দুটির সংমিশ্রণে, এই মন্ত্রিসভা গঠিত হয়েছে।’
শফিকুল ইসলাম আরও বলেন, ‘এই মন্ত্রিসভা অবশ্যই পারবে। আজ সকালে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি গাড়ি থেকে নেমেই সাংবাদিকদের বলছেন– “এই মন্ত্রিসভার নেতৃত্বে আছেন প্রধানমন্ত্রী। যিনি সাহসী, দক্ষ, অভিজ্ঞ এবং ইতোমধ্যেই আন্তর্জাতিকভাবে নিজের অবস্থান তৈরি করে নিয়েছেন। তার পেছনে রয়েছি আমরা ৪৬ জন।” এরকম একজন সাহসী এবং দক্ষ প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে যদি মন্ত্রিসভা গঠিত হয়, সেটি ৪৬ না হয়ে যদি ৩৬ হতো, তাতেও আমার মনে হয় না সেখানে কোনও ঘাটতি হতো। এখানে যে অভিজ্ঞ লোক নেই তা কিন্তু নয়। প্রধানমন্ত্রী কিন্তু বিভিন্ন জায়গায় রেখেছেন অভিজ্ঞ লোক। তাদের সঙ্গে নতুনদের রাখা হয়েছে শেখার জন্য।’








