চট্টগ্রাম কারাগারের বরখাস্ত হওয়া জেলার সোহেল রানা বিশ্বাসকে কেন জামিন প্রদান করা হবে না, তা জানতে চেয়ে চার সপ্তাহের রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
সোহেল রানার জামিন আবেদনের শুনানি নিয়ে বুধবার (৯ জানুয়ারি) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে আসামির জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. আদনান রফিক। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হেলেনা বেগম চায়না। এছাড়া, দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এ কে এম ফজলুল হক।
প্রসঙ্গত,২০১৮ সালের ২৭ অক্টোবর ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনে ময়মনসিংহগামী বিজয় এক্সপ্রেস ট্রেনের একটি বগি থেকে চট্টগ্রাম কারাগারের জেলার সোহেলকে একটি ব্যাগসহ আটক করে বাংলাদেশ রেলওয়ে পুলিশ।
পরে পুলিশ সোহেলকে রেলওয়ে থানায় নিয়ে ব্যাগ তল্লাশি চালায়। তল্লাশি করে তার ব্যাগ থেকে ৪৪ লাখ ৪৩ হাজার টাকা, আড়াই কোটি টাকার তিনটি ব্যাংক এফডিআর, এক কোটি ৩০ লাখ টাকার তিনটি ব্যাংক চেক, পাঁচটি চেক বই ও ১২ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করে পুলিশ। পরে এ ঘটনায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।
গ্রেফতারের ঘটনায় জেলার সোহেলের বিরুদ্ধে ভৈরব রেলওয়ে থানায় মানি লন্ডারিং ও মাদক আইনে পৃথক দুটি মামলা করে রেলওয়ে পুলিশ। পরে এসব মামলায় তিনি হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন।
উল্লেখ্য, কারাগারে মাদক ব্যবসাসহ কর্তব্যে অবহেলা ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশ অমান্য করায় সোহেল রানাকে ২০১০ সালেও বরখাস্ত করা হয়। এরপর বিভাগীয় মামলায় আপিল করে ক্ষমা চেয়ে তদবিরের পর তিনি চাকরি ফিরে পান বলেও মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।








