দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অভিযানে কক্সবাজার ও ময়মনসিংহের ভালুকায় ১৫ একর পাহাড় ও বনভূমি দখলমুক্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ জানুয়ারি) দুদক এনফোর্সমেন্ট ইউনিটের পৃথক অভিযানে কক্সবাজারের ফাতেরঘোনায় ৫ একর পাহাড় ও ময়মনসিংহের ভালুকায় ১০ একর বনভূমি উদ্ধার হয়।
পরিবেশ অধিদফতর ও বন বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহায়তায় প্রভাবশালীদের দখলে থাকা ফাতেরঘোনায় পাহাড় ও ভালুকার বনভূমি উদ্ধারের এ অভিযানে দুদক এনফোর্সমেন্ট ইউনিটের সদস্যরা ছাড়াও র্যাব, পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন অংশ নেয়।
দুদক মহাপরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মাদ মুনীর চৌধুরী বলেন, ‘পাহাড় ধ্বংস এবং বনভূমি দখলের প্রধান কারণ দুর্নীতি। আর এ দুর্নীতির সঙ্গে পরিবেশ অধিদফতর ও বন বিভাগ জড়িত। এতে দুর্নীতিবাজরা শক্তিশালী হচ্ছে, আর প্রতিষ্ঠান নিষ্ক্রিয় হয়ে যাচ্ছে। দুদক এ অচলায়তন ভাঙবে, পাহাড় এবং বনসম্পদ রক্ষার অভিযানের পাশাপাশি দুর্নীতির চক্র উৎপাটন করবে।’
পাহাড় ও বনভূমি রক্ষায় কক্সবাজার ও ময়মনসিংয়ের জেলা প্রশাসককে কঠোর নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান মুনীর চৌধুরী।
দুদক এনফোর্সমেন্ট ইউনিট জানায়, কক্সবাজারের ফাতেরঘোনায় ৫ একর পাহাড় দীর্ঘদিন ধরে প্রভাবশালীদের দখলে ছিল। পাহাড়ের কথিত মালিকানাও বেশ কয়েকবার বদল হয়েছে। পাহাড় কেটে গড়ে তোলা হয়েছে বহু স্থাপনা। মঙ্গলবার দখলমুক্ত করার পর পাহাড়ে লাল পতাকা টাঙানো হয়েছে।
ময়মনসিংয়ের ভালুকায় বন বিভাগের ১০ একর বনভূমি দখলে রেখেছিলেন শহীদুল ইসলাম শহীদ ওরফে বাউন্ডারি শহীদ। দখলদারি বজায় রাখতে করে সীমানা প্রাচীরও দিয়েছিলেন তিনি। অভিযানের সময় ১০ ফুট লম্বা সীমানা প্রাচীর ভেঙে ফেলা হয়।








