২০১৫ সালের পে স্কেল বহাল রাখা এবং দশ মাসের বকেয়া বেতন ভাতা প্রদানের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি প্রকল্পের কর্মীরা। বৃহস্পতিবার (৩১ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন থেকে তারা এ দাবি জানান।
মানববন্ধনে আরবান প্রাইমারি হেলথ কর্মীরা বলেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি প্রকল্প নামে একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। প্রতি পাঁচ বছর পর পর নতুন করে দরপত্রের মাধ্যমে এনজিও নির্বাচিত করে প্রকল্পটি পরিচালিত হয়। বিগত প্রতিটি ফেইজে দরপত্র প্রক্রিয়ায় কর্মীদের বেতন গ্রেড নির্ধারণ করে এনজিওদের নিকট থেকে দরপত্র আহবান করা হয়। যেখানে প্রতিটি পার্টনারশিপ এলাকার কর্মীদের বেতন গ্রেড অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা প্রায় সমান ছিল।
তবে দুঃখের বিষয়, বর্তমান দরপত্র আহবানের কর্মীদের বেতন গ্রেড নির্ধারণ না করে প্রকল্পের অন্যান্য খরচের বিশাল বাজেট থেকে বরাদ্দ রেখে এনজিও দরপত্র আহবান করা হয়। ফলে অন্যান্য বাজেট কমানোর সুযোগ না থাকায় এনজিওরা সর্বনিম্ন দরদাতা হওয়ার জন্য কর্মীদের বেতন কমাতে চাইছে। এমনকি এনজিওগুলো সর্বনিম্ন দরদাতা হওয়ার প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য বাংলাদেশ সরকার প্রদত্ত সর্বনিম্ন বেতন কাঠামো বা আন্তর্জাতিক শ্রম আইনের নিয়ম না মেনে কর্মীদের বর্তমান প্রাপ্য বেতনের অর্ধেক করে দরপত্র জমা দেয়। ফলে আরবানের কর্মীরা চরম বেতন বৈষম্যের শিকার হতে চলছে।
মানববন্ধন থেকে আরবানের ২৯০০ কর্মীর দশ মাসের বকেয়া বেতন-বোনাস প্রদান ও ২০১৫ সালের জাতীয় বেতন স্কেল বহাল রেখে বেতন নির্ধারণ করার ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন- ডা. নুরজাহান, ডা. আসমা, ফিল্ড সুপারভাইজার রবিউল আওয়াল, এসিস্টেন্ট এডমিন নুরুল আলম খোকন, আরবান কর্মী মাহবুবুর রহমান, মো. খলিলুর রহমান স্বপন এবং স্বপন কুমার রায়সহ আরবানের দুই শতাধিক কর্মী।








