কেমিক্যাল অ্যান্ড পারফিউমারি মার্চেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসেন বলেছেন, ‘ঝুঁকিপূর্ণ ২৯টি ছাড়া অন্য কেমিক্যালগুলোর গুদামজাত করার ব্যাপারে বাংলাদেশে কোনও আইন নেই। এজন্য আমরা মেয়র সাহেবের সঙ্গে মিটিংয়ে বলেছিলাম, এই বিষয়গুলোকে যদি সামনে নিয়ে আসা হয়, তাহলে একটা শর্ট টার্ম, মিড টার্ম ও লং টার্ম প্রসেস করতে হবে। নিমতলীর ঘটনায় বলা হয়েছে, কেমিক্যাল থেকে আগুন। আসলে কোন কেমিক্যাল থেকে আগুন– সেটা সুনির্দিষ্ট করে বলা হয়নি।’
দেশের শীর্ষস্থানীয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলা ট্রিবিউনের আয়োজনে ‘মৃত্যুকূপ: শুধুই কি নিমতলি থেকে চকবাজার?’ শীর্ষক বৈঠকিতে তিনি একথা বলেন। মঙ্গলবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৪টা ৩০ মিনিটে শুরু হয় বাংলা ট্রিবিউনের সাপ্তাহিক এই আয়োজন।
আরিফ হোসেন বলেন, ‘২০১০ সালে নিমতলীর ঘটনার পর বিস্ফোরক অধিদফতর ২৯টি ঝুঁকিপূর্ণ কেমিক্যালের লাইসেন্স পুরান ঢাকায় দেয়নি। এই লাইসেন্সগুলো দেওয়া হয়েছে ঢাকার আশেপাশে যেসব খোলা জায়গা আছে, সেখানে নকশা অনুযায়ী গোডাউন করে সেখানে পণ্য রাখতে। এটা তদারকি করেন বিস্ফোরক অধিদফতর, ঢাকা জেলা প্রশাসক।’
তিনি বলেন, ‘ওয়াহিদ ম্যানশনের দোতলায় ছিল টয়েলেট্রিজ পণ্য। সেগুলোর মধ্যে ছিল– বডি লোশন, এয়ার ফ্রেশনার, বডি স্প্রে, শ্যাম্পু প্রভৃতি। এগুলো ফিনিশ প্রোডাক্ট। এগুলো কেমিক্যাল থেকে তৈরি হয়েছে, কিন্তু কেমিক্যালের পর্যায়ে নেই।’
মুন্নী সাহার সঞ্চালনায় আজকের বৈঠকিতে আরও অংশ নিচ্ছেন– শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের সমন্বয়ক ডা. সামন্তলাল সেন, ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের সাবেক পরিচালক মেজর এমএম মতিউর রহমান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ গওহর নঈম ওয়ারা এবং বাংলা ট্রিবিউনের প্রধান প্রতিবেদক উদিসা ইসলাম।
রাজধানীর পান্থপথে বাংলা ট্রিবিউন স্টুডিও থেকে এ বৈঠকি সরাসরি সম্প্রচার করছে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এটিএন নিউজ। পাশাপাশি, বাংলা ট্রিবিউনের ফেসবুক ও হোমপেজেও লাইভ দেখা যাচ্ছে এ আয়োজন।
ছবি: সাজ্জাদ হোসেন








