ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হলের প্রভোস্ট জিনাত হুদাকে লাঞ্ছিত ও হলের ভেতরে ভাঙচুর চালিয়ে ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে ডাকসুর নবনির্বাচিত ভিপি নুরুল হক নুর ও বামজোট সমর্থিত প্যানেলের ভিপি প্রার্থী লিটন নন্দীসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। অপর তিনজন হলেন জিএস প্রার্থী ঢাবির জহুরুল হক হল ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক খন্দকার আনিসুর রহমান, জিএস প্রার্থী ছাত্র ফেডারেশনের ঢাবি শাখার সভাপতি উম্মে হাবীবা বেনজীর ও রোকেয়া হল সংসদে স্বতন্ত্র ভিপি প্রার্থী শেখ মৌসুমী।
মঙ্গলবার (১২ মার্চ) ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে এজাহার পৌঁছায়। এরপর বিচারক সারাফুজ্জামান আনছারী প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ১৭ এপ্রিল দিন ধার্য করেন। আদালতের সংশ্লিষ্ট থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা পুলিশের (উপ-পরিদর্শক) নিজাম উদ্দিন এসব তথ্য জানান। এর আগে সোমবার রাতে রোকেয়া হলের আবাসিক শিক্ষার্থী এবং নৃত্যকলা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মারজুকা রায়না বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় অজ্ঞাত আরও ৪০ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ‘সোমবার (১১ মার্চ) ভোট গ্রহণের সময় মামলার বাদী মারজুকা রায়না রোকেয়া হলে ভোটের লাইনে দাঁড়ান। হেরে যাওয়ার ভয়ে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বানচাল করার চেষ্টা চালান মামলার অভিযুক্তরা। তারা গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে গুজব ছড়ান যে, ট্রাংক ভর্তি সিলমারা ব্যালট পেপার হলের ভেতরে রয়েছে। পাশাপাশি তারা শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে উসকে দেন। একপর্যায়ে হল প্রভোস্ট ড. জিনাত হুদা শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করে বলেন, বাস্তবে তেমন কিছুই ঘটেনি। সংরক্ষিত ব্যালট পেপারগুলো সাদা। কিন্তু অভিযুক্তরা প্রভোস্টের কথা না শুনে তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন এবং শিক্ষার্থীদের গালাগাল করেন। এ সময় তারা রোকেয়া হল সংসদের দরজা-জানালা লাথি মেরে ভেঙে ফেলার চেষ্টা করেন। পরে তারা হল সংসদের ভেতর অনধিকার প্রবেশ করে একটি ট্রাংক বের করে আনেন। সেটি খুলে দেখা যায়, সব ব্যালট পেপারই সাদা।’








