সঙ্গীতশিল্পী খুরশীদ আলম শুক্রবার (২৯ মার্চ) দিবাগত রাতে বগুড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন। তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য জয়পুরহাট কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে তাকে শনিবার (৩০ মার্চ) দুপুর ২টার দিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকার গ্রিন রোডের গ্রিনলাইফ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। শজিমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল গোলাম রসুল এ তথ্য জানিয়েছেন।
হাসপাতালের নিউরো সার্জারি বিভাগের প্রধান সুশান্ত কুমার সাংবাদিকদের বলেছেন, খুরশীদ আলমের মাথায় রক্তক্ষরণ হয়নি। তবে আঘাতে ৫টি দাঁত ভেঙে গেছে।
জয়পুরহাট কল্যাণ ট্রাস্টের সভাপতি সুইন চৌধুরী জানান, 'খুরশীদ আলমকে ট্রাস্ট থেকে সংবর্ধনা দিতে বৃহস্পতিবার বগুড়ায় আনা হয়েছিল। তাকে শহরতলির গোকুলে হোটেল মম ইন’এ রাখা হয়। শুক্রবার রাত ১২টা পর্যন্ত তিনি আমার সঙ্গে ছিলেন। রাতে তিনি ভক্তদের সঙ্গে বের হয়েছিলেন। এরপর দুর্ঘটনা ঘটে। পরিবারের ইচ্ছা অনুসারে ট্রাস্টের খরচে খুরশীদ আলমকে শজিমেক হাসপাতাল থেকে শনিবার বেলা ২টা ১০ মিনিটে মেঘনা এভিয়েশনের একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। তাকে গ্রিনলাইফ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার সঙ্গে ছোট ভাই সারোয়ার ইসলাম মামুন রয়েছেন।'
শিল্পীর ছোট ভাই মুরশীদ আলম জানান, কণ্ঠশিল্পী খুরশীদ আলম শুক্রবার শহরতলির গোকুলে হোটেল মম ইন’এ জয়পুরহাট কল্যাণ ট্রাস্টের এক সম্মাননা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আসেন। তার সঙ্গে খোকন ও স্বাধীন নামে স্থানীয় দুই ব্যক্তি ছিলেন। রাত ২টার দিকে শহর থেকে খোকন গাড়ি চালিয়ে খুরশীদ আলম ও স্বাধীনকে নিয়ে চারমাথা এলাকায় সেঞ্চুরি মোটেলে যান। রাত ৩টার দিকে হোটেল মম ইন’র দিকে যাওয়ার সময় ঝোঁপগাড়ি এলাকায় বগুড়া-রংপুর মহাসড়কে পৌঁছালে ঢাকাগামী অজ্ঞাত একটি ট্রাক গাড়িটিকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে প্রাইভেট কারটি দুমড়ে-মুচড়ে গিয়ে খুরশীদ আলম ও অপর দু’জন আহত হন। এদের মধ্যে খুরশীদ আলমকে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে নেওয়া হয়। তিনি আশঙ্কামুক্ত রয়েছেন।
আরও পড়ুন- সড়ক দুর্ঘটনায় সঙ্গীতশিল্পী খুরশীদ আলম আহত








