এই মুহূর্তে গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি করলে জীবনযাত্রার ক্ষেত্রে বিরূপ প্রভাব পড়বে। গ্যাস দ্বারা চালিত সব শিল্পের খরচ বৃদ্ধি পাবে। তাই গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি করলে গণপরিবহনসহ সব সেক্টরে নৈরাজ্য দেখা দেবে। বাংলাদেশ অটোরিকশা-অটোটেম্পো পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেছেন।
শনিবার (৬ এপ্রিল) জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে এই প্রতিবাদী সভার আয়োজন করা হয়।
এসময় বাংলাদেশ অটোরিকশা-অটোটেম্পো পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মো. গোলাম ফারুক বলেন, ‘সরকার গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি করার জন্য গণশুনানি করেছে। গণশুনানিতে জনগণের কথা রাখা হয় না, তাহলে গণশুনানি কেন? গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে শিল্প কারখানার উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পাবে। পরিবহনসহ বিভিন্ন সেক্টরে সিএনজি ওতপ্রোতভাবে জড়িত।’
তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমানে একজন অটোরিকশাচালক গ্যাস ক্রয় বাবদ দৈনিক ৩০০ টাকা ব্যয় করেন। এখন সরকার যে হারে গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির পাঁয়তারা করছে, তাতে একজন চালকের গ্যাস ক্রয়ের খরচ বেড়ে দাঁড়াবে প্রায় ৬০০ টাকার ওপরে। সরকার ক্ষমতায় এসেই গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির পাঁয়তারা চালাচ্ছে, সংসদে আলোচনা না করে গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি করা হলে তা জনগণ মানতে বাধ্য নয়। গত ১০ বছরে গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি হয়েছে ৬ বার। গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি করা গণমানুষকে শোষণ ছাড়া আর কিছু নয়। সরকার গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি না করে, দেশের সব সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে থেকে ঘুষ দুর্নীতি বন্ধ করলেই বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায় রূপান্তরিত হবে এই দেশ।’
আরও বলা হয়, সরকারকে গণবিরোধী সিদ্ধান্ত থেকে ফিরে আসতে হবে। নাহলে মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে গণআন্দোলন গড়ে তোলা ছাড়া অন্য কোনও বিকল্প থাকবে না।
আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন লেখক ও কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ, বাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রাজেকুজ্জামান রতন প্রমুখ।








