বন্ড সুবিধার অপব্যবহার করায় সোয়া কোটি টাকার পণ্যসহ ৩টি কাভার্ড ভ্যান জব্দ করেছে ঢাকা কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট। এরমধ্যে দুটির মালিক মেসার্স স্কাইবিজ ইমপ্লেকস লিমিটেড ও খুলনার মুনস্টার পলিমার এবং অপর একটির মালিকানা কেউ দাবি করেনি।
জানা গেছে, বন্ড সুবিধায় আমদানি করা পণ্য চোরাইপথে খোলাবাজারে বিক্রি প্রতিরোধে বিশেষ অভিযানের মধ্যে এসব জব্দ করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস বন্ড কমিশনারেটের উপ কমিশনার মো. মেহেবুব হক এর নেতৃত্বে একটি প্রিভেন্টিভ দল ১১ এপ্রিল রাত ১১টার পর রাজধানীর নয়াবাজার মোড় এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে ডুপ্লেক্স বোর্ড ভর্তি কাভার্ড ভ্যান [ঢাকা মেট্রো ট-২০৫১০২] আটক করা হয়। পণ্যচালাটি চট্টগাম বন্দর হতে ঢাকায় ডেমরায় লোডিং হয়ে মেসার্স স্কাইবিজ ইমপ্লেকস লিমিটেডে খালাস হওয়ার কথা থাকলেও অবৈধভাবে খোলাবাজারে বিক্রয়ের লক্ষ্যে নয়াবাজারের নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। আটক পণ্যের মূল্য প্রায় ৪১ লাখ টাকা এবং আদায়যোগ্য শুল্ক-করাদির পরিমাণ প্রায় ১৯ লাখ টাকা।
পৃথক আরেক অভিযানের নেতৃত্ব দেন সহকারী কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান। ভোর রাতে রাজধানীর গুলিস্তান এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডুপ্লেক্স বোর্ড ও বিওপিপি বোঝাই ২টি কাভার্ড ভ্যান আটক করা হয়। এসব পণ্য খুলনার মুনস্টার পলিমার এবং অপর একটি মালিকানার দাবীদারহীন প্রতিষ্ঠান থেকে চোরাইপথে খোলাবাজারে বিক্রয়ের লক্ষ্যে পুরাতন ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। আটক পণ্যের মোট মূল্য প্রায় ৮৫ লাখ টাকা এবং আদায়যোগ্য শুল্ক-করাদির পরিমাণ প্রায় ৪২ লাখ টাকা।
এই প্রসঙ্গে ঢাকা কাস্টমস বন্ড কমিশনারেটের সহকারী কমিশনার আল আমিন জানান, আটক পণ্যের বিপরীতে কাস্টমস আইনে বিভাগীয় মামলা দায়েরসহ প্রতিষ্ঠানগুলোর বন্ডিং কার্যক্রম খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বন্ড সুবিধায় আমদানি করা পণ্য চোরাইপথে খোলাবাজারে বিক্রয় প্রতিরোধে এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।








