রাজধানীর গুলিস্তানে পুলিশের তিন সদস্যের ওপর নিক্ষেপ করা ককটেলটি সাধারণ ককটেল থেকে ভিন্ন ছিল বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া।
মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন পুলিশ সদস্যদের দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ কথা বলেন।
পুলিশ কমিশনার বলেন, ‘বিস্ফোরণ হওয়া ককটেলটি সাধারণ ককটেল থেকে ভিন্ন ছিল। কাউন্টার টেরোরিজম বিস্ফোরণের ধরন, আহতদের ধরনসহ প্রয়োজনীয় এভিডেন্স সংগ্রহ করছে।’
তিনি বলেন, ‘উগ্রবাদ ইস্যুকে কেন্দ্র করে কোনও মহল উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য এ কাজটি করেছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আইএস-এর বিষয়টিও পরীক্ষা করা হচ্ছে। অন্য কেউ আইএস-এর নাম দিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছে কিনা, তাও দেখা হচ্ছে।’
আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, ‘আইএস যে ক্লেইম করেছে তা তাদেরই বা অন্য কেউ প্রতারণামূলক এ ধরনের পোস্ট দিয়েছে কিনা, তা আমাদের কাউন্টার টেরোরিজম ও ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের অ্যান্টি টেরোরিজম বিশেষজ্ঞরা পরীক্ষা করে দেখছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘জনগণের জানমাল রক্ষার জন্য, দেশের মানুষকে রক্ষার জন্য, যে কোনও নৈরাজ্য উগ্রবাদ দমানোর জন্য আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি। এ ঘটনাটি আদৌ জঙ্গি সংশ্লিষ্ট কিনা, নাকি সাধারণ অপরাধীরা এটি করেছে, নাকি তৃতীয় কোনও মহল এটি করতে পারে,বিষয়গুলো আমরা খতিয়ে দেখছি। এ ঘটনার পর থেকে ট্রাফিকদের নিরাপত্তা বাড়ানোর কাজ চলছে।’
পুলিশ কমিশনার বলেন, ‘বৈশ্বিক যে উগ্রবাদের প্রভাব আছে সারাবিশ্বে, বাংলাদেশও তার বাইরে নয়। সংঘবদ্ধ বা বড় ধরনের নাশকতা করার ক্ষমতা তাদের নেই। ২০১৬ সালে হলি আর্টিজান হামলার পর তাদের (জঙ্গি) বিধ্বস্ত করা হয়েছে। কখনও কখনও তারা বিচ্ছিন্নভাবে এ ধরনের ঘটনা ঘটনোর অপচেষ্টা করছে, সেগুলো আমরা নজরদারিতে রাখছি।’








