মিয়ানমারে বিমান দুর্ঘটনায় আহত ১০ জনকে বিশেষ ফ্লাইটে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তাদের বহন করা বিমানটি শুক্রবার (১০ মে) পৌণে ১১টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমানটিতে ছিলেন আহত চারজন যাত্রী, দুইজন পাইলট, দুইজন কেবিন ক্রু ও দুইজন গ্রাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার। অ্যাপোলো হাসপাতালে তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) শাকিল মেরাজ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী, সচিব মো. মহিবুল হক আহতদের সঙ্গে কথা বলেন ও তাদের খোঁজ খবর নেন। এসময় বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোকাব্বির হোসেন, বিমানের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ক্যাপ্টেন ফারহাত হাসান জামিল, পরিচালক (প্রশাসন) জিয়াউদ্দিন আহমেদ, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন আব্দুল্লাহ আল ফারুক উপস্থিত ছিলেন।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) শাকিল মেরাজ জানান, ‘আহতের মধ্যে পাইলট শামিম নজরুলকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নেওয়া হয়েছে। এছাড়া তিনজনকে এপোলো হাসপাতালে এবং একজন অন্য একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নেবেন। বাকিরা বাসায় ফিরে যাবেন।’
তিনি আরও জানান, ৮ মে ইয়াঙ্গুন বিমানবন্দরে অবতরণকালে বৈরী আবহাওয়ার কারণে রানওয়ে থেকে বাইরে চলে যায় বিমানের ড্যাশ-৮ কিউ ৪০০ উড়োজাহাজটি। বিমানটিতে একজন শিশুসহ ২৯ জন যাত্রী এবং ছয়জন স্টাফ ছিলেন। দুর্ঘটনায় শিশুসহ ১৯ জন যাত্রী আহত অবস্থায় ইয়াঙ্গুনের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি হন। সেদিন রাতেই তাদের মধ্য থেকে চার জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে রিলিজ দেওয়া হয়।
তিনি জানান, মিয়ানমারে দুর্ঘটনার তদন্তে কমিটি করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। ৯ মে বিমানের চিফ অব ফ্লাইট সেফটি শোয়েব চৌধুরীকে প্রধান করে ছয় সদস্যের তদন্তকমিটি গঠন করা হয়। কমিটি ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেবে।
বিমানের পক্ষ থেকে আহত যাত্রীদের সার্বক্ষণিক খোঁজ-খবর রাখা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।








