মিয়ানমারে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের উড়োজাহাজটি দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী। তিনি বলেন, ‘তবুও তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির রিপোর্ট পর্যন্ত আমাদের অপেক্ষা করতে হবে।’
শুক্রবার (১০ মে) রাতে দেশে ফিরেছেন মিয়ানমারে বিমান দুর্ঘটনায় আহত ১০ জন। তাদের সঙ্গে কথা বলেন ও তাদের খোঁজ খবর নেন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী। এরপর প্রতিমন্ত্রী উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন।
মিয়ানমারে বিমান দুর্ঘটনায় আহত ১০ জনকে বিশেষ ফ্লাইটে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তাদের বহন করা বিমানট শুক্রবার (১০ মে) ১১টা ৪১ মিনিটের দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমানটিতে ছিলেন আহত চারজন যাত্রী, দুইজন পাইলট, দুইজন কেবিন ক্রু ও দুইজন গ্রাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার।
বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী বলেন, ‘বিমানটি দুর্ঘটনায় পড়ায় পাইলটসহ কিছু যাত্রী আহত হন। আামদের প্রধানমন্ত্রী বিদেশ থেকে খোঁজখবর নিয়েছেন। যেদিন দুর্ঘটনা ঘটে সেদিনও বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারে বিমান পাঠানো হয়। আজকেও (শুক্রবার) একটি বিমান গিয়ে আহতদের নিয়ে এসেছে। সুচিকিৎসার জন্য তিনজনকে অ্যাপোলো হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। একজন নিজের ইচ্ছা অনুয়ায়ী নিজের মালিকানাধীন হাসপাতালে গিয়েছেন। তাদের চিকিৎসার সব ব্যবস্থা বিমান কর্তৃপক্ষ করবে। এটা নিহাত একটি দুর্ঘটনা। যাত্রীরেদ সঙ্গে কথা বলেছি, তাদের কোনও অভিযোগ নেই।’
দুর্ঘটনায় পড়া বিমানটির ব্যবহার করা যাবে কিনা তা তদন্ত প্রতিবেদনের ওপর নির্ভর করছে বলেও জানান মাহবুব আলী।
এসময় বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোকাব্বির হোসেন, বিমানের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ক্যাপ্টেন ফারহাত হাসান জামিল, পরিচালক (প্রশাসন) জিয়াউদ্দিন আহমেদ, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন আব্দুল্লাহ আল ফারুক উপস্থিত ছিলেন।








