রাজধানীর উত্তর বাড্ডায় তাছলিমা বেগম রেণুকে ছেলেধরা সন্দেহে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় দুই জনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। রবিবার (২৮ জুলাই) ঢাকা মহানগর হাকিম সাদবীর ইয়াছীর আহসান চৌধুরী এ আদেশ দেন। কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলো, কামাল হোসেন ও আবুল কালাম আজাদ।
আদালতে সংশ্লিষ্ট থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা লিয়াকত আলী বলেন, ‘রবিবার দুপুরে চারদিনের রিমান্ড শেষে বাড্ডা থানার তদন্ত কর্মকর্তা আবদুর রাজ্জাক আদালতে তাদের হাজির করে মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক এ আদেশ দেন।
শনিবার (২৭ জুলাই) এ মামলায় শাহীন, বাচ্চু মিয়া ও বাপ্পি নামে তিন জনকে চারদিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়। আগের দিন শুক্রবার প্রধান আসামি ইব্রাহিম ওরফে হৃদয় হোসেন মোল্লা ও রিয়া নামে এক নারী আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। এরপর তাদের কারাগারে পাঠান আদালত।
এদিকে, বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) মুরাদ মিয়া, সোহেল রানা, বিল্লাল, আসাদুল ইসলাম ও রাজুর তিনদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। গত ২২ জুলাই শাহীন, বাচ্চু মিয়া ও বাপ্পির চারদিনের এবং গত ২৩ জুলাই কামাল হোসেন ও আবুল কালাম আজাদের চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। ২২ জুলাই জাফর হোসেন নামে অপর এক আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি শেষে তাকে কারাগারে পাঠান আদালত।
উল্লেখ্য, গত শনিবার (২০ জুলাই) সকালে রাজধানীর উত্তর বাড্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিজের সন্তানের ভর্তির ব্যাপারে খোঁজ নিতে গিয়েছিলেন তাসলিমা বেগম রেণু। তখন ছেলেধরা সন্দেহে তাকে পিটিয়ে হত্যা করে স্থানীয় কয়েকজন। ওইদিন সকাল ৯টার দিকে উত্তর বাড্ডা কাঁচাবাজার সড়কে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ওই রাতেই বাড্ডা থানায় অজ্ঞাত চারশ’ থেকে পাঁচশ’ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন নিহতের ভাগিনা সৈয়দ নাসির উদ্দিন টিটিু। হৃদয় এই মামলার প্রধান আসামি।








