পাইলট নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এমডি ও প্রধান নির্বাহী ক্যাপ্টেন ফারহাত হাসান জামিলসহ পাঁচ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিমানের এমডি বলেন, ‘পাইলট নিয়োগ নিয়ে কোনও দুর্নীতি হয়নি। আর ঘুষ, দুর্নীতিও হচ্ছে না।
সোমবার (২৯ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বেলা দেড়টা পর্যন্ত দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সংস্থাটির অনুসন্ধান কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন।
গত ২৩ জুলাই বিমানের কর্মকর্তাদের তলব করে চিঠি দেওয়া হয়েছিল।
ফারহাত হাসান জামিল ছাড়াও যাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে তারা হলেন— বিমানের চিফ অব ট্রেনিং ক্যাপ্টেন ফজল মাহমুদ, চিফ ফাইনান্সিয়াল অফিসার বিনীতি সুধ, পরিচালক (মার্কেটিং অ্যান্ড সেলস) মো. আশরাফুল আলম ও পরিচালক (প্লানিং) এয়ার কমোডর মাহবুব জামান।
একই ঘটনায় রবিবার (২৮ জুলাই) বিমানের তিন পরিচালকসহ চার জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক।
বিমানের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল মুনীম মুসাদ্দিক আহমেদসহ মোট ১০ জনকে তলব করে দুদক। অভিযোগের বিষয়ে দুদক জানায়, ‘তারা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে কর্মরত থেকে ক্ষমতার অপব্যবহার,বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে ঘুষ নিয়ে ক্যাডেট পাইলট নিয়োগসহ অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন।’
এর আগে গত ২ মে বিমানের সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুসাদ্দিক আহমেদসহ ১০ জনের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা জারি করে দুদক।
আরও পড়ুন:
বিমান বাংলাদেশের এমডিসহ ৫ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুদক








