পাকিস্তান আর কখনোই ঘুরে দাঁড়ানোর মতো অবস্থায় আসবে না: মোস্তাফা জব্বার

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৮:৪১আপডেট : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৯:৫৫

জাতীয় প্রেসক্লাবে আলোচনাসভায় ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার পাকিস্তান আর কখনোই ঘুরে দাঁড়ানোর মতো অবস্থায় আসবে না বলে মন্তব্য করেছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। তিনি বলেছেন, 'পাকিস্তান রফতানি আয় থেকে শুরু করে জাতীয় প্রবৃদ্ধি কিংবা যত সূচক দেখতে পায় তার প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে বাংলাদেশ থেকে পিছিয়ে আছে। আমরা নিশ্চিত, পাকিস্তান কখনোই আর ঘুরে দাঁড়ানোর মতো অবস্থায় আসবে না।'

মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরাম আয়োজিত 'প্রগতিশীল রাজনৈতিক নেতৃত্বে শেখ হাসিনা' শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, এটার একমাত্র কারণ হচ্ছে বাংলাদেশ মৌলবাদ ও জঙ্গিবাদকে মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়েছে। বাংলাদেশ সত্যিকার অর্থে একটি প্রগতিশীল রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পেরেছে। আর পাকিস্তান মৌলবাদের পৃষ্ঠপোষকতা করেছে।

মোস্তফা জব্বার বলেন, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা কিন্তু কেবল একটি ডিজিটাল বাংলাদেশ না। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ে তোলার জন্য আমাদের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। ডিজিটাল প্রযুক্তি বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হবে। কিন্তু, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা যেটি, সেটি যদি দৃশ্যমানভাবে দেখতে হয় তবে ৭২ সালে যে সংবিধান দিয়েছিলেন সেই সংবিধানের চার মূলনীতির দিকে তাকাতে হবে। জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতা হচ্ছে সেই মূলনীতি। আমাদের সংবিধানে বহু কাটাছেঁড়া হয়েছে। সৌভাগ্য আমাদের, চার মূলনীতির কোনোটাতেই এখনও হস্তক্ষেপ হয়নি। এবং সেটি বহাল আছে। আমরা যে প্রগতিশীলতার কথা বলি, সেই প্রগতিশীলতাই চার মূলনীতি।

তিনি আরও বলেন, ২০০৮ সালে সারা পৃথিবী ডিজিটাল শব্দই উচ্চারণ করেনি, দেশের সঙ্গে যুক্ত করবে তো দূরের কথা। কিন্তু আমাদের প্রধানমন্ত্রী দেশের সঙ্গে ডিজিটাল শব্দ যোগ করেছেন। সে সময় যত রকমের হাসিঠাট্টা বিদ্রুপ করার করা হয়েছে এই ডিজিটাল শব্দ নিয়ে। কিন্তু সেটি এখন আর নেই। শেখ হাসিনা সেই মানুষটি, যিনি সামনের ১০০ বছরকে দৃশ্যমান দেখতে পারেন। পৃথিবীর কোনও দেশে ২১ সালের পরিকল্পনা, ৪১ সালের পরিকল্পনা, ৭১ সালের পরিকল্পনা এবং ২১০০ সালের পরিকল্পনা প্রস্তুত অবস্থায় আছে এটা আমার জানা নেই। একমাত্র শেখ হাসিনার আছে। তিনি সেই পরিকল্পনা দিয়ে তুলে ধরেছেন, ২১০০ সালে বাংলাদেশে কোথায় থাকবে।

আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মুহাম্মদ সামাদ, নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও কলামিস্ট মেজর জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত একে মোহাম্মদ আলী শিকদার, ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক আবদুল মান্নান চৌধুরী, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান, বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরামের সদস্য সচিব অধ্যাপক ড. মিল্টন বিশ্বাস প্রমুখ।

/এইচএন/টিএন/এমওএফ/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
যেখানে সকালে বারান্দায় এলেই দেখা মেলে জোড়া রংধনুর
যেখানে সকালে বারান্দায় এলেই দেখা মেলে জোড়া রংধনুর
সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ সফরের আড়ালে কী
সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ সফরের আড়ালে কী
গরমে শিশুর সুরক্ষা: সামান্য ভুলও ডেকে আনতে পারে বড় বিপদ
গরমে শিশুর সুরক্ষা: সামান্য ভুলও ডেকে আনতে পারে বড় বিপদ
থানার ভেতরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে পিটিয়ে আহত, ৩ পুলিশ প্রত্যাহার
থানার ভেতরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে পিটিয়ে আহত, ৩ পুলিশ প্রত্যাহার
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম