রাজধানী কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সামনে বাসচাপায় শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক কাজী শরিফুল ইসলামকে জেরা অব্যাহত রয়েছে। সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ ইমরুল কায়েসের আদালতে তাকে জেরা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। এদিন জেরা শেষ না হওয়ায় আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পরবর্তী জেরার জন্য দিন ধার্য করা হয়। এই মামলায় ৪১ সাক্ষীর মধ্যে ৩৭ জন আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী তাপস কুমার পাল এসব তথ্য জানান।
এ মামলার আসামিরা হলেন– জাবালে নূরের মালিক মো. শাহাদাত হোসেন আকন্দ, চালক মাসুম বিল্লাহ, হেলপার মো. এনায়েত হোসেন, চালক মো. জোবায়ের সুমন; অপর বাস মালিক মো. জাহাঙ্গীর আলম ও হেলপার মো. আসাদ কাজী। তাদের মধ্যে মো. জাহাঙ্গীর আলম ও মো. আসাদ কাজী পলাতক। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে।
এর আগে গত বছরের ২৫ অক্টোবর আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেন আদালত।
গত বছরের ৬ সেপ্টেম্বর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক কাজী শরীফুল ইসলাম এ মামলায় ছয়জনের বিরুদ্ধে ঢাকা মুখ্য মহানগর আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। চার্জশিটে আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ২৭৯, ৩২৩, ৩২৫, ৩০৪ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়। চার্জশিটে ৪১ জনকে সাক্ষী এবং ছয়টি আলামত জব্দ দেখানো হয়। যার মধ্যে রয়েছে– তিনটি বাস এবং তিনটি ড্রাইভিং লাইসেন্স।
গত বছরের ২৯ জুলাই দুপুরে কালশী ফ্লাইওভার থেকে নামার মুখে এমইএস বাসস্ট্যান্ডে ১৫-২০ জন শিক্ষার্থী দাঁড়িয়েছিলেন। জাবালে নূর পরিবহনের একটি বাস ফ্লাইওভার থেকে নামার মুখেই দাঁড়িয়ে যায়। এ সময় পেছন থেকে আরেকটি দ্রুতগতির একই পরিবহনের বাস ওভারটেক করে সামনে আসতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললে পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায় দুজন। আহত হয় আরও বেশ কয়েকজন। ওই ঘটনায় ক্যান্টনমেন্ট থানায় নিহত মিমের বাবা জাহাঙ্গীর আলম এ মামলা দায়ের করেন।








