সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে পরিবহন খাতে অবৈধ চাঁদাবাজি বন্ধসহ মোট ৯ দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক-শ্রমিক ঐক্যলীগ।
মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানান সংগঠনের সদস্য সচিব মো. ইসমাইল হোসেন বাচ্চু।
তিনি বলেন, ‘গোটা পরিবহন সেক্টর এখন ব্যক্তি বিশেষের কাছে জিম্মি হয়ে আছে। বলা যায় পরিবহন সেক্টরে এখন একনায়কতন্ত্র চলছে। আমরা চাই এই জিম্মি হওয়া পরিবহন সেক্টর উন্মুক্তভাবে চালুক। চাঁদাবাজি বন্ধ হোক।’
এসময় তিনি ৯টি দাবি তুলে ধরেন।
দাবিগুলো হলো— অনতিবিলম্বে পরিবহন খাতে অবৈধ চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর ও কার্যকর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে হবে এবং গাড়ির কাগজপত্র ও চালকের লাইসেন্স দেখার নামে পুলিশের হয়রানি বন্ধ করতে হবে, পরিবহন সেক্টর থেকে কথিত গডফাদারকে উচ্ছেদসহ ঢাকা সড়ক পরিবহন সমিতি এবং বিভিন্ন মালিক সমিতিতে ঘাপটি মেরে বসে থাকা বিএনপি-জামায়াত নেতাদের অবিলম্বে অপসারণ করতে হবে; রাজধানীর সায়েদাবাদ, মহাখালী, গাবতলী, এবং ফুলবাড়িয়া টার্মিনালে গডফাদারদের ‘পিস্তল বাহিনীকে’ গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে হবে; দৈনিক ভিত্তিতে নয় বরং পরিবহন শ্রমিকদের মাসিক ভিত্তিতে নিয়োগ প্রদান করতে হবে, নিরাপদ সড়ক গড়ে তোলার জন্য প্রত্যেক জেলায় মালিক সমিতি এবং শ্রমিক সংগঠনের নেতাকর্মীদের সমন্বয়ে বিআরটিএ কর্তৃক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সহজ পদ্ধতিতে পরিবহন চালকদের লাইসেন্স প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে, সড়ক পরিবহন শ্রমিকদের আইএলও অনুযায়ী ৮ ঘণ্টা সময় নির্ধারণ করতে হবে, ৮ ঘণ্টার অতিরিক্ত সময় কাজের জন্য ওভারটাইম বেতনের ব্যবস্থা করতে হবে, প্রত্যেক বাস টার্মিনালে সাধারণ শ্রমিকদের জন্য বিশ্রামাগার করতে হবে, সড়ক পরিবহন দুর্ঘটনায় তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সেবা প্রদানের লক্ষ্যে ভ্রাম্যমাণ চিকিৎসালয় স্থাপন করতে হবে এবং সাধারণ শ্রমিকদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত শ্রমিক ইউনিয়ন নেতাদের সংগঠন পরিচালনা করার সুযোগ দিতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক-শ্রমিক ঐক্য লীগের আহ্বায়ক এসে এম শাহ আলমসহ বিভিন্ন পরিবহনের মালিক ও শ্রমিকরা উপস্থিত ছিলেন।








