দুর্গাপূজা ঘিরে দেশজুড়ে সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা হাতে নেওয়ার কথা জানিয়েছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। গুরুত্বপূর্ণ পূজামণ্ডপে র্যাব সদস্যদের পাহারার পাশাপাশি থাকবে রোবস্ট পেট্রোলিং (এক সঙ্গে অনেকগুলো গাড়ি নিয়ে টহল)। শুক্রবার (৪ অক্টোবর) রাজধানীর বনানী পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা জানান র্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) বেনজীর আহমেদ।
র্যাব ডিজি বলেন, সারাদেশে ৩১ হাজারের বেশি মণ্ডপে পূজা উদযাপন হচ্ছে। শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উদযাপনের জন্য র্যাবের পক্ষ থেকে সকল প্রকার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পূজামণ্ডপে যেকোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আমাদের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও ডগ স্কোয়াডের মাধ্যমে সুইপিংয়ের কাজ করা হয়েছে।
সন্ত্রাসী ও জঙ্গিরা যেন কোনোধরনের অপতৎপরতা চালাতে না পারে সেজন্য র্যাব তৎপর রয়েছে। পাড়া-মহল্লার মোড়ে চেকপোস্ট বসানো হবে, সন্দেহভাজন এলাকাতে ব্লক রেইড পরিচালিত হবে বলে জানান তিনি।
বেনজীর আহমেদ বলেন, সারাদেশের র্যাবের কমান্ডিং অফিসার ও ক্যাম্প অফিসারদের সঙ্গে পূজা উদযাপন কমিটির বৈঠক হয়েছে। অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
পূজামণ্ডপে নারীরা যেন হেনস্তার শিকার না হন সেই নির্দেশনা দিয়ে বেনজীর আহমেদ বলেন, ইভটিজিং স্পষ্টত যৌন হয়রানি। নারীরা যেন কোনও প্রকার হয়রানির শিকার না হন সে বিষয় আমরা লক্ষ রাখবো।
প্রতিমা বিসর্জন হওয়া পর্যন্ত সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি র্যাব সদর দফতর থেকে মনিটরিং করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, বিসর্জন পর্যন্ত আমাদের মনিটরিং অব্যাহত থাকবে। বিসর্জনও বির্বিঘ্ন করতে আমাদের পক্ষ থেকে বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে।
বেনজীর আহমেদ বলেন, সারাদেশে ৩১ হাজার ৮০০ মণ্ডপে পূজা উদযাপন হয়। ২০০৯ সালে বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর ১১ হাজার মণ্ডপে পূজার আয়োজন হতো। এ থেকে বোঝা যায়, বর্তমানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সুসংহত এবং বর্তমান সরকারের আমলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন হয়েছে। এ উন্নয়নের সুফল সবাই সমানভাবে ভোগ করছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।








