আমড়ার আকার বড় ও বীজ ছোট করতে গবেষণা চলছে। দুটি উন্নত জাতের আমড়ার সংকরায়নের মাধ্যমে এ গবেষণা কার্যক্রম চলছে। গবেষণা থেকে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়ার আশা করছে কৃষি মন্ত্রণালয়। সোমবার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
কমিটি এর আগের বৈঠকে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের আমড়াকে জনপ্রিয় ফল এবং সারাদেশে এটি পাওয়া যায় উল্লেখ করে। সে বৈঠকে কীভাবে এর আকার অর্থাৎ খাদ্যোপযোগী অংশ আরও বড় এবং বীজের আকার ছোট করা যায় তা নিয়ে গবেষণা করার সুপারিশ করা হয়। এ বিষয়ে সোমবারের বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আমড়ার আকার বড় ও বীজ ছোট করতে গবেষণা চলছে উল্লেখ করে জানানো হয়েছে। ফল বিভাগ, উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এ পর্যন্ত আমড়ার দুটি উচ্চ ফলনশীল ও গুণগত মানসম্পন্ন জাত অবমুক্ত করেছে। এরমধ্যে বারি আমড়া-১ জাতটি বারোমাসি, ফলের গড় ওজন ৬০ গ্রাম, বীজ ছোট ও নরম এবং খাদ্যোপযোগী অংশ ৭৩ শতাংশ। অন্যদিকে বারি আমড়া-২ দক্ষিণাঞ্চলে জন্মানো স্থানীয় জাতগুলোর মধ্য থেকে নির্বাচন ও মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অবমুক্ত করা হয়েছে। জাতটির ফল আকারে বড়, গড় ওজন ১০০ থেকে ১২০ গ্রাম, বীজও তুলনামূল বড়। এ জাতটির বীজ ছোট করার জন্য বারি ১-এর সঙ্গে সংকরায়ন কর্মসূচি গবেষণা মাঠে বাস্তবায়ন হচ্ছে। এর মাধ্যমে ছোট বীজবিশিষ্ট বড় আমড়া পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে সংসদ সচিবালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বৈঠকে সুগার বিট উৎপাদনে পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য শিল্প মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেওয়ার এবং আগামী বৈঠকে বাংলাদেশ চিনিশিল্প করপোরেশনের চেয়ারম্যানকে ডাকার সিদ্ধান্ত হয়।
এছাড়া বাংলাদেশে চাষ শুরু হওয়া মধ্যপ্রাচ্যের খেজুর গাছের টিস্যু কালচারের মাধ্যমে খেজুর উৎপাদন বাড়ানোর জন্য বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি)-কে নির্দেশনা দেওয়া হয়।
মতিয়া চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কমিটির সদস্য কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক, মুহাম্মদ ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিক, আনোয়ারুল আবেদীন খান, জয়া সেনগুপ্তা ও হোসনে আরা অংশগ্রহণ করেন।








