সীমিত সাধ্য নিয়ে তরুণদের নৈতিক মূল্যবোধ বিকশিত করতে দুদক চেষ্টা চালাচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ। এ প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখা হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিনোদনের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের মাঝে নৈতিক মূল্যবোধ জাগ্রত হয়, এমন তথ্য প্রচার করতে দুদক গণমাধ্যমসহ সবার সহযোগিতা নিচ্ছে।’
বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠনে কাইট বাংলাদেশ, গুণীজন ফাউন্ডেশন ও সিএলপি’র একটি প্রতিনিধি দল দুদকের ‘সততা সংঘ’ ও ‘সততা স্টোর’র কার্যক্রম বিনোদনমূলক তথ্যচিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপন করে। দেশের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল প্রচারের জন্য এসব তথ্যচিত্র নির্মাণ করা হয়েছে।
দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘যেসব বিদ্যালয় সততা সংঘ গঠন করেছে, সেসব বিদ্যালয়ে বছরজুড়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতা, রচনা প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে দুদক। নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বিনির্মাণে সমন্বিত এবং সুসংগঠিত কার্যক্রম বাস্তবায়নের প্রয়োজন। এসব কর্মপ্রক্রিয়ায় এনজিও, গণমাধ্যম, সুশীল সমাজসহ সবার সক্রিয় অংশগ্রহণ থাকতে হবে। আমাদের সবার আকাঙ্ক্ষা হতে হবে নৈতিকমূল্যবোধ সম্পন্ন ভবিষ্যৎ প্রজন্ম সৃষ্টি করা। আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করলে অবশ্যই নৈতিকমূল্যবোধ সম্পন্ন জাতি বিনির্মাণ করতে পারবো।’
দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘‘আমরা আশাবাদী, কারণ দেশের প্রায় ৩ হাজার ৬০০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সততা স্টোর গঠন করা হয়েছে। আজ পর্যন্ত দুদকের সততা স্টোরের আয় ও ব্যয় নিয়ে কোনও অভিযোগ আসেনি। এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সততা ও নৈতিকতার রোল মডেল হয়ে উঠছে। শুদ্ধাচার বিকাশে ‘সততা স্টোর’ এবং ‘সততা সংঘ’ হতে পারে অনুকরণীয় প্রক্রিয়া।’’
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন দুদক কমিশনার ড. মো. মোজাম্মেল হক খান, এ এফ এম আমিনুল ইসলাম, মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) সারোয়ার মাহমুদ, মহাপরিচালক (প্রশিক্ষণ ও আইসিটি) এ কে এম সোহেল ও কাইট বাংলাদেশের প্রতিনিধি এটিএম কামরুজ্জামান।








