ঢাকা লিট ফেস্ট আন্তর্জাতিক অঙ্গনের সাহিত্যিকদের কাছে গুরুত্ব পাচ্ছে বলে মনে করেন কবি ও ঢাকা লিট ফেস্টের পরিচালক আহসান আকবর। তিনি বলেন, “আমাদের এই আয়োজনে বিদেশি সাহিত্যিকরা এসেই বলেন, ‘আগামীবার দাওয়াত দিলে অবশ্যই আসবো, খুশি মনেই আসবো।’ এটিই আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জন।”
শীর্ষস্থানীয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলা ট্রিবিউনের আয়োজনে ‘ঢাকা লিট ফেস্ট: গল্প বলার গল্প’ শীর্ষক বৈঠকিতে তিনি এ কথা বলেন। মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) বিকালে শুরু হয় বাংলা ট্রিবিউনের সাপ্তাহিক এই আয়োজন।
ঢাকা লিট ফেস্টে সাহিত্যকে গুরুত্ব দেওয়া প্রসঙ্গে অন্য দেশের সঙ্গে তুলনা করে আকবর বলেন, “সম্প্রতি আমি আমন্ত্রণে কাজাখস্তান লিটারারি ফেস্টিভ্যালে গিয়েছিলাম। গিয়ে বুঝলাম, আয়োজনটি ছিল সে দেশের সরকারের উদ্যোগে এবং সেটি সরকারি জনসংযোগের একটি চর্চা। কারণ, তারা ফেস্টিভ্যালে আমাদের নিয়ে সামরিক শক্তি ও অস্ত্র দেখাচ্ছিল। আমি বুঝতে পারছিলাম না, কী হচ্ছে সেখানে। তারপর তারা বলল, ‘একটু কথা বলুন’, ‘মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করুন’, ‘মিউজিয়ামে যান’ ইত্যাদি। সেখানে আমাদের কোনও স্বাধীনতা ছিল না এবং সেটা ছিল কাজাকিস্তানের উন্নয়ন দেখানোর ফেস্টিভ্যাল। তার মানে, তারা সাহিত্যের উৎসব করতে পারেনি। আমরা অবশ্যই সেরকম না। আমাদের ফেস্টিভ্যালে যারা এসেছেন তারা ভালো করেই জানেন, এখানে কী হয়। কাজাখস্তানে যত পরিচিত লেখকের সঙ্গে দেখা হয়েছিল, তারা সবাই বলেছেন, সেখানে আর যাবেন না।”
সাংবাদিক মুন্নী সাহার সঞ্চালনায় আজকের বৈঠকিতে আরও অংশ নিয়েছেন– ঢাকা লিট ফেস্টের পরিচালক, সাহিত্যিক এবং ঢাকা ট্রিবিউন ও বাংলা ট্রিবিউনের প্রকাশক ড. কাজী আনিস আহমেদ, কবি ও ঢাকা লিট ফেস্টের পরিচালক সাদাফ সায্ সিদ্দিকী এবং বাংলা ট্রিবিউন সম্পাদক জুলফিকার রাসেল।
রাজধানীর পান্থপথে বাংলা ট্রিবিউন স্টুডিও থেকে এ বৈঠকি সরাসরি সম্প্রচার করে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এটিএন নিউজ। পাশাপাশি বাংলা ট্রিবিউনের ফেসবুক ও হোমপেজে লাইভ দেখা গেছে এ আয়োজন।








