সরকারি কেনাকাটায় জনগণের অর্থ আত্মসাৎ হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে ক্রয়ে দুর্নীতির ঘটনাই দেশের সবচেয়ে আলোচিত বিষয়। প্রায়ই পত্র-পত্রিকায় ক্রয় দুর্নীতির খবর প্রকাশ হয়। যা দেশের মানুষের মর্যাদাকে ভূলুণ্ঠিত করে।’ সোমবার (২ ডিসেম্বর) সেগুনবাগিচায় ‘ট্রেনিং অন পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড প্র্যাকটিসেস ফর এসিসি অফিসিয়াল’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালার সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, ‘বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সরকারি কেনাকাটায় দুর্নীতি বন্ধ করতে না পারলে জনগণের অর্থে পরিচালিত এসব প্রশিক্ষণ ভিত্তিহীন হয়ে যাবে।’
দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘অসৎ উদ্দেশ্যে সরকারি অর্থ আত্মসাতের লক্ষ্য নিয়ে অনেকেই ক্রয় প্রস্তাবে বেশি দর দেখান বলে শোনা যায়, এসব বন্ধ করতে হবে। জনগণের অর্থ কোনও ব্যক্তির নয়। কঠোর নজরদারি ও নিখুঁত তদন্ত, সর্বোপরি প্রসিকিউশনের মাধ্যমে এসব দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ করা হবে।’
কর্মকর্তাদের উদ্দেশে ইকবাল মাহমুদ আরও বলেন, ‘আপনাদের অঙ্গীকার হবে নিজেরা দুর্নীতি করবো না, কাউকে দুর্নীতি করতে দেবো না। এরজন্য প্রয়োজন মানসম্মত তদন্ত, মানসম্মত প্রশিক্ষণ। অংশগ্রহণকারীদের আজকের ফলাফল দেখে আমার মনে হচ্ছে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মকর্তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।’
দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমি আগেও বলেছি-আজও বলেছি ক্রয় সংক্রান্ত অনুসন্ধান বা তদন্তে আপনাদের না বোঝার কারণে একজনও যেন হয়রানির শিকার না হন। সার্বিকভাবে দুদকের মামলায় শতভাগ সাজা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যেই সবাইকে কাজ করতে হবে।’
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সেন্ট্রাল প্রকিউরমেন্ট টেকনিক্যাল ইউনিটের মহাপরিচালক মো. আলী নূর, দুদকের প্রশিক্ষণ অনুবিভাগের মহাপরিচালক এ কে এম সোহেল ও দুদক পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্যা।








