উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ থাকার পরও মামলার কার্যক্রম পরিচালনায় ভুল স্বীকার করে হাইকোর্টে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন কিশোরগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. রফিকুল বারী। একই সঙ্গে তাকে সতর্ক করে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত। তলব আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে আদালতে হাজির হয়ে বিচারক ব্যাখ্যা দাখিলের পর মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি একেএম জহিরুল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে বিচারকের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার এবিএম আলতাফ হোসেন। অন্য পক্ষে শুনানিতে ছিলেন ব্যারিস্টার এম. আতিকুর রহমান।
এর আগে, গত ২৭ জুন আইনজীবী মো. সাজ্জাদ হোসেন কিশোরগঞ্জ সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, বাদীর পিতা ৯নং চৌদ্দশত ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবু বকর সিদ্দিক খোকার কাছে চাঁদা না পেয়ে মো. আতাহার আলীসহ ১৩ জন হামলা চালায়। অভিযোগ রয়েছে, বাদী আইনজীবী হওয়ায় তিনি কিশোরগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির ওপর প্রভাব বিস্তার করেন। এর ফলে সমিতি সিদ্ধান্ত নেয়, সংগঠনটির কোনও সদস্য বাদী হয়ে মামলা করলে আসামি পক্ষে অন্য কোনও আইনজীবী লড়তে পারবেন না।
এরপর, গত ৩১ জুলাই মামলার ১১ জন আসামিকে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ আট সপ্তাহের আগাম জামিন দেন এবং মামলার কার্যক্রম তিন মাসের জন্য স্থগিত করেন। তবে উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশের পরেও মামলার কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন কিশোরগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. রফিকুল বারী। পরে বিষয়টি উচ্চ আদালতের নজরে এলে ওই বিচারককে ব্যাখ্যা দিতে তলব করেন হাইকোর্ট।








