‘বাংলাদেশে প্রতিবছর ১ লাখ ৪০ হাজারের বেশি মানুষ বায়ুদূষণের কারণে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। চিকিৎসকদের ধারণা, যদি দূষণ কমানো না হয়, প্রতিবছরই মৃতের এই সংখ্যাটা বাড়তে থাকবে। ইটের ভাটা, অপরিকল্পিতভাবে নির্মাণকাজ করা, রাস্তা খোঁড়া ও আবর্জনা পোড়ানোসহ নানা কারণে এই অবস্থার তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন বায়ুমান গবেষকরা।’
বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা) আয়োজিত নংবাদ সম্মেলনের মূল প্রবন্ধে এসব কথা বলা হয়।
এসময় বায়ুদূষণ রোধে সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষের সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা চাওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, ‘বায়ুদূষণে আমরা প্রথম হতে চাই না। কর্মপরিকল্পনা চাই।’ পাশাপাশি সংগঠনের পক্ষ থেকে ধারাবাহিক কর্মসূচির ঘোষণাও দেওয়া হয়।
নিজ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই সংবাদ সম্মেলনে ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে এআইএলইউ বাংলাদেশ পরিবেশ অধিদফতরের সঙ্গে যৌথ একটি গবেষণা উল্লেখ করে ঢাকার বায়ুদূষণের জন্য ইটভাটা, সড়কের ধূলা, যানবাহন এবং বায়োগ্যাস পোড়ানোকে দায়ী করা হয়। গবেষণাটি দাবি করছে, ঢাকার দূষণের জন্য ইটভাটা ৫৮ শতাংশ, সড়কের ধূলা ১৮ শতাংশ, যানবাহনের ধোয়া ১০ শতাংশ, বায়োগ্যাস পোড়ানো ৮ শতাংশ এবং অন্যান্য কারণ ৬ শতাংশ দায়ী।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়, বায়ুদূষণের কারণগুলো চিহ্নিত করা হলেও তা সমাধান না করে উল্টো পথে হাটে সরকারি সংস্থাগুলো।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে যে কর্মসূচিগুলো ঘোষণা করা হয়েছে সেগুলো হলো- সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব পালনে সময়ভিত্তিক সুনিদিৃষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের জন্য চিঠি প্রদান, অবস্থান কর্মসূচি; সমমনা বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে নিজ নিজ আবস্থান থেকে উদ্যোগ গ্রহনে উদ্বুদ্ধ করা ও সেমিনার ও কর্মশালার আয়োজন করা।








