পাঁচ দিনব্যাপী সীমান্ত সম্মেলনে অংশ নিতে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষীর উচপদস্থ আট সদস্য ঢাকায় এসেছেন। রোহিঙ্গাদের অবৈধ অনুপ্রবেশ বন্ধে করণীয় নির্ধারণ ও সীমান্তে যৌথ টহল জোরদার করাসহ বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে এই সম্মেলন ভূমিকা রাখবে বলে দুই দেশের আশা।
রবিবার (৫ জানুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে সপ্তম এই সম্মেলন রাজধানীর পিলখানার বিজিবির সদর দফতরে শুরু হয়েছে।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও মিয়ানমার পুলিশ ফোর্সের (এমপিএফ) মধ্যে ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি পর্য্যন্ত এই সম্মেলন চলবে।
সম্মেলনে মিয়ানমারের চিফ অব পুলিশ জেনারেল স্টাফ, পুলিশ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মায়ো থানের নেতৃত্বে ৮ সদস্যের মিয়ানমার প্রতিনিধিদল অংশগ্রহণ করছেন। অপরদিকে, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলামের নেতৃত্বে ১৪ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল সম্মেলনে অংশগ্রহণ করছেন।
বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের কর্মকর্তারা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
সম্মেলন শেষে আগামী ৮ জানুয়ারি সকালে যৌথ আলোচনার দলিল স্বাক্ষরিত হবে এবং আগামী ৯ জানুয়ারি মিয়ানমার প্রতিনিধিদল ঢাকা ত্যাগ করবেন।
এবারের সম্মেলনের আলোচ্য বিষয়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য এজেন্ডা হলো- মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে ইয়াবা পাচার প্রতিরোধ, সীমান্তে সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ বিরোধী কার্যক্রম, মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গাদের অবৈধভাবে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ রোধ, সীমান্তবর্তী এলাকায় মিয়ানমারের বিজিপি ও সেনাবাহিনী কর্তৃক ফায়ারিং প্রতিরোধ, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে পড়ে বা অসতর্কতাবশত: আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রমকারীদের উভয় দেশের স্ব স্ব সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কাছে ফেরত পাঠানো, সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় তথ্য বিনিময়, বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে যৌথ টহল পরিচালনা, বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে বাংলাদেশ কর্তৃক সীমান্ত সড়ক নির্মাণকালে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা সহযোগিতা প্রদান।








