ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি মনোনিত মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়াল তার নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করছেন। শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে উত্তরা ৭ নম্বর জামে মসজিদে জুমার নামাজ শেষে প্রচারণা শুরু করেন তিনি। এ সময় সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রত্যাশা করেন তাবিথ আউয়াল।
নামাজ শেষে মসজিদের সামনে বিএনপির বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। তারা তাবিথ আউলের পক্ষে স্লোগান দেন এবং মিছিল নিয়ে নির্বাচনি প্রচারণায় অংশ নেন।
প্রচারণার শুরুতে তাবিথ আউয়াল বলেন, ‘আমি প্রত্যাশা করি, নির্বাচনটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে কমিশন কাজ করবে। জনগণ ভোট দেওয়ার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। আমি চাই, সবাই ভোটাধিকার প্রয়োগ করুক।’ নামাজ শুরুর আগে সবার কাছে দোয়া চান তিনি।
প্রচারণাকালে উত্তরা ৯ নম্বর সেক্টর ব্রিজ দিয়ে ১৪ নম্বরের দিকে যাওয়ার পথে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আমরা এই নির্বাচনকে খালেদা জিয়ার মুক্তি ও গণতন্ত্রের মুক্তির অংশ হিসেবে নিয়েছি।’ তিনি বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, দেশের মানুষ গণতন্ত্রের মুক্তির জন্য খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য তাবিথ আউয়ালকে ভোট দিয়ে দেশ নেত্রীকে মুক্ত করবেন। তারা দেশের গণতন্ত্রকে মুক্ত করবেন ইনশাআল্লাহ।’
নির্বাচনি প্রচারণার শুরুতে নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘এবারের সিটি নির্বাচনে ভোট যেন অবাধ ও নিরপেক্ষ হয়।’ সরকারকে ভোট ডাকাত উল্লেখ করে মান্না বলেন, ‘তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে সবাই ঐক্যবদ্ধ হোন। যারা ভোট দিতে যাবেন তারাও ঐক্যবদ্ধ হবেন। নির্বাচনে বিজয় ছিনিয়ে আনা পর্যন্ত আমাদের লড়াই অব্যাহত থাকবে। কর্মী ভাইদের প্রতি আমার অনুরোধ, আপনারা প্রত্যেক বাড়িতে যাবেন, প্রত্যেক ভোটারের কাছে যাবেন। তাদের কাছে বলবেন, নিজের ভোট নিজে দেন। যদি কেউ বলে আপনার ভোট দেওয়া হয়ে গেছে, সঙ্গে সঙ্গে ধরে ফেলবেন। পুলিশকে খবর দেবেন। যেন কেউ ভোট ডাকাতের সুযোগ না পায়।’
নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক বলেন, ‘২০১৯ সালের নির্বাচনে ওরা ভোট ডাকাতি করে পার পেয়ে গেছে। আমরা আজ ঘোষণা করতে চাই, এবার ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কোনও ভোট ডাকাত পার পাবে না। ভোট ডাকাতদের শাস্তি দেবো, ধানের শীষের বিজয় ছিনিয়ে আনবো।’








