বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিইউ ভেন্টিলেটর কেনাকাটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপ-রেজিস্ট্রার ও সিমেন্স বাংলাদেশ লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজারের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সাবেক উপ-রেজিস্ট্রার ও আইসিইউ ভেন্টিলেটর ক্রয় কমিটির সদস্য সচিব ডা. কাজী এবাদুল্লাহ এবং সিমেন্স বাংলাদেশ লিমিটেডের মেডিক্যাল সল্যুশন বিভাগের সাবেক জেনারেল ম্যানেজার সাজ্জাদ হোসেনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুদকের পরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় চার্জশিট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুদক। দ্রুত সময়ের মধ্যে আদালতে তা উপস্থাপন করা হবে।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, ছয়টি আইসিইউ ভেন্টিলেটর কেনার সময় ভুয়া দুটি প্রতিষ্ঠানের নামে জাল কোটেশন তৈরি করে টেন্ডারে উপস্থাপন করা হয়। আর্থিক সীমার বাইরে হওয়ার পরেও কোনও আপত্তি না করে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক বিধি ও হিসাব রক্ষণ পদ্ধতির ধারা ভেঙে সিমেন্স বাংলাদেশকে কাজটি দেওয়া হয়।
দুদকের অনুসন্ধানে আইসিইউ ভেন্টিলেটর কেনায় সরকারের ৭২ লাখ টাকা ক্ষতি এবং এ থেকে অভিযুক্ত দু’জনের লাভবান হওয়ার তথ্য উঠে আসে।
দুর্নীতির অভিযোগ এনে ২০০৯ সালের ১৬ আগস্ট শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করা হয়। ৪০৯/১০৯ দ-বিধি এবং ১৯৪৭ সনের ২ নম্বর দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় মামলাটি দায়ের করেন দুদক প্রধান কার্যালয়ের সাবেক উপপরিচালক নাসিম আনোয়ার (বর্তমানে পরিচালক)। দীর্ঘ তদন্ত শেষে ডা. কাজী এবাদুল্লাহ ও সাজ্জাদ হোসেনের বিরুদ্ধে চার্জশিট প্রস্তুত করেছে দুদক।
আরও পড়ুন:
বায়োমেট্রিক মেশিন নেই বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে








