জাগৃতি প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী ফয়সাল আরেফিন দীপন হত্যা মামলায় তার বড় বোন সুচিতা সরমিনসহ চার জনের সাক্ষ্য নিয়েছেন আদালত। বুধবার (৪ মার্চ) সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান জবানবন্দি গ্রহণ করে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১৬ মার্চ দিন ধার্য করেছেন।
সাক্ষ্য প্রদানকারীরা বাকি তিন জন হলেন: রমজান আলী (কনস্টেবল), আনারুল ইসলাম (পুলিশ পরিদর্শক) ও আব্দুল হানিফ (কাস্টমস অ্যান্ড ভ্যাটের অফিস সহকারী)।
সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের পেশকার রুহুল আমিন বাংলা ট্রিবিউনকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।
এর আগে, গত বছরের ১৩ অক্টোবর ৮ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত।
মামলার আসামিরা হলো— মেজর (বরখাস্ত) সৈয়দ জিয়াউল হক জিয়া, আকরাম হোসেন ওরফে হাসিব ওরফে আবির ওরফে আদনান ওরফে আবদুল্লাহ, মইনুল হাসান শামীম ওরফে সামির ওরফে ইমরান, আবদুর সবুর সামাদ ওরফে সুজন ওরফে রাজু ওরফে স্বাদ, খাইরুল ইসলাম ওরফে জামিল ওরফে জিসান, আবু সিদ্দিক সোহেল ওরফে সাকিব ওরফে সাজিদ ওরফে শাহাব, মোজাম্মেল হুসাইন ওরফে সায়মন ওরফে শাহরিয়ার এবং শেখ আবদুল্লাহ ওরফে জুবায়ের ওরফে জায়েদ ওরফে জাবেদ ওরফে আবু ওমায়ের।
এদের মধ্যে সৈয়দ জিয়াউল হক জিয়া, আকরাম হোসেন ওরফে হাসিব ওরফে আবির ওরফে আদনান ওরফে আবদুল্লাহ পলাতক রয়েছে।
গত বছরের ৩০ জুন মামলার পলাতক আসামি নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সামরিক শাখার প্রধান ও সৈয়দ জিয়াউল হক জিয়া ও আকরাম হোসেন ওরফে হাসিব ওরফে আবির ওরফে আদনান ওরফে আবদুল্লাহকে আদালতে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আদেশ দেন আদালত। ১৬ মে তাদের সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দেওয়া হয়।
২০১৮ সালের ১৬ অক্টোবর আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার মো. ফজলুর রহমান।
প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালের ৩১ অক্টোবর রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেটের তৃতীয় তলায় দীপনকে হত্যা করা হয়। ওই দিনই দীপনের স্ত্রী রাজিয়া রহমান শাহবাগ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।








