রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে থাকা বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের (বিপিসি) হোটেল-মোটেলগুলো করোনা চিকিৎসায় নিয়োজিত স্বাস্থ্যকর্মীদের বিশ্রাম ও আবাসনের জন্য পর্যায়ক্রমে চালু করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে রাজধানীর হোটেল অবকাশ ব্যবহার শুরু করেছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। সারাদেশে পর্যটন করপোরেশনের অন্যান্য হোটেল-মোটেলও চিকিৎসকদের আবাসনের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান রাম চন্দ্র দাস।
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান রাম চন্দ্র দাস বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আমাদের সব হোটেল-মোটেল প্রস্তুত রাখা হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় চাইলে যেকোনও সময় ব্যবহার করতে পারবে। ইতোমধ্যে ঢাকায় পর্যটন করপোরেশনের হোটেল অবকাশ ব্যবহার শুরু হয়েছে। গত কয়েক দিন ধরে দিনে ও রাতে বিভিন্ন সময়ে চিকিৎসক, নার্সসহ করোনা ভাইরাসের রোগীদের চিকিৎসায় নিয়োজিত স্বাস্থ্যকর্মীরা এসে সেখানে বিশ্রাম নিচ্ছেন।
উল্লেখ্য, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের (বিপিসি) অধীনে দেশের বিভিন্ন স্থানে হোটেল-মোটেল রয়েছে। কক্সবাজারে রয়েছে চারটি, এগুলো হচ্ছে- হোটেল শৈবাল, মোটেল উপল, মোটেল প্রবাল ও হোটেল লাবণী। সিলেটে রয়েছে পর্যটন মোটেল, পর্যটন মোটেল জাফলং। খাগড়াছড়ির পর্যটন মোটেল, কুয়াকাটায় পর্যটন ইয়ুথ ইন এবং পর্যটন হলিডে হোমস। এছাড়া দিনাজপুর, রাজশাহী, রংপুর, রাঙামাটি, গোপালগঞ্জ, টেকনাফ, বেনাপোল, বগুড়া, মংলা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, চট্টগ্রাম, দিনাজপুর ও মেহেরপুরে পর্যটন করপোরেশনের হোটেল আছে।








