সরকারের নিষেধাজ্ঞায় মুসল্লি ছাড়াই মসজিদে আদায় হলো জুমার নামাজ। মসজিদের খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমরাই আদায় করেছেন জুমার নামাজ। অনেক মসজিদের মাইকে মুসল্লিদের মসজিদে না এসে বাড়িতে জোহরের নামাজ পড়তে আহ্বান জানানো হয়েছে। অন্যদিকে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে মুসল্লিরা আসলেও তাদের ফিরিয়ে দেয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দুপুরে আজানের আগেই রাজধানীর বিভিন্ন মসজিদের মাইকে মুসল্লিদের উদ্দেশে বলা হয়— মসজিদে না এসে বাসায় জোহরের নামাজ পড়তে।
গত সপ্তাহে জুমায় অনেক মসজিদে অনুরোধ করার পরও মুসল্লিরা এসেছিলেন। যদিও আজ এমন চিত্র দেখা যায়নি। রাজধানীর মিরপুর, মোহাম্মদপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় মসজিদের গেটে বাইরে থেকে তালা দেখা গেছে।
জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে আজানের পর কিছু মুসল্লি আসলেও তাদের ফিরিয়ে দিয়েছে পুলিশ। তাদের অনেকেই মসজিদের বাইরে নামাজ আদায় করেছেন।
৬ এপ্রিল মুসল্লিদের ঘরে নামাজ পড়ার নির্দেশ দেয় সরকার। ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা জরুরি এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে— শুধু মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমরা মসজিদে নামাজ আদায় করবেন। জুমার জামাতে অংশগ্রহণের বদলে ঘরে জোহরের নামাজ আদায়ের নির্দেশ দেওয়া যাচ্ছে। মসজিদে জামাত চালু রাখার প্রয়োজনে খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমরা মিলে পাঁচ ওয়াক্তের নামাজ অনধিক পাঁচ জন এবং জুমার জামাতে অনধিক ১০ জন শরিক হতে পারবেন। বাইরের মুসল্লি মসজিদে জামাতে অংশ নিতে পারবেন না।
ছবি: নাসিরুল ইসলাম








