গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর ফুসফুস করোনাভাইরাস নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন তার চিকিৎসার দায়িত্বে থাকা ব্রিগেডিয়ার অধ্যাপক ডা. মামুন মুস্তাফি। সোমবার (৮ জুন) রাতে ডা. মামুনের বরাত দিয়ে সোমবার ( ৮ জুন) বাংলা ট্রিবিউনকে এই তথ্য জানান গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. ফাহাদ।
তিনি বলেন, অধ্যাপক ডা. মামুন আমাদের জানিয়েছেন স্যারের (ডা. জাফরুল্লাহ) শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত। তার ফুসফুসে নিউমোনিয়া হয়ে যাওয়ার কারণে তাকে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়েছে, সার্বক্ষণিক অক্সিজেন দিয়ে রেখেছেন। শ্বাসকষ্ট পুরোপুরি কমছে না। আর রক্তচাপসহ যেসব ক্লিনিক্যাল বিষয়গুলো আছে, সেগুলোর কোনও উন্নতি বা অবনতি হয়নি। আগের অবস্থায় আছে। ডা. জাফরুল্লাহ নিজেই খাবার খাচ্ছেন উল্লেখ করে ফাহাদ বলেন, তবে সেটা অল্প পরিমাণে।
আজ ডা. জাফরুল্লাহ ফের করোনা টেস্ট করার কথা ছিল, সেটা করা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে ফাহাদ বলেন, টেস্ট হলে অবশ্যই আমাদের জানাতেন। ফলে আমরা মনে করছি, আজ টেস্ট হয়নি। এছাড়া তার অন্য কোনও পরীক্ষা লাগলেও আমাদের জানাতেন। ডা. জাফরুল্লাহর নিয়মিত ডায়ালাইসিস এবং চেস্ট ফিজিওথেরাপি চলছে বলে জানান ফাহাদ। বর্তমানে তিনি নিজের স্থাপিত প্রতিষ্ঠান গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে ব্রিগেডিয়ার অধ্যাপক ডা. মামুন মুস্তাফি, অধ্যাপক ডা. নজীবের সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন আছেন।
এর আগে গত ৪ জুন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর কিডনি ডায়ালাইসিস শুরু হলে শারীরিক অবস্থার অবনতির কারণে ডায়ালাইসিস সম্পন্ন করা যায়নি। পরবর্তীতে গত ৫ জুন তাকে তৃতীয়বারের মতো প্লাজমা থেরাপি হয়।
উল্লেখ্য, গত ২৫ মে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উদ্ভাবিত কিট দিয়ে পরীক্ষাতেই তার করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এরপরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) পিসিআর পরীক্ষাতেও তার করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। ডা. জাফরুল্লাহর পাশাপাশি তার স্ত্রী শিরীন হক ও ছেলে বারিশ চৌধুরীর শরীরেও করোনাভাইরাস পজিটিভ শনাক্ত হন। তবে তারা বাসায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।








