পৌরসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে জামালপুর জমে উঠেছে প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা। তবে গ্রেফতার আতঙ্কে বিএনপির নেতা-কর্মীরা ঘরছাড়া থাকায় তাদের প্রচার কিছুটা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে দাবি করেছে দলটি।
নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থীরা এরই মধ্যে নানা তৎপরতা শুরু করেছেন। প্রার্থীরা ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণের পাশাপাশি দলীয় সমর্থন নিশ্চিত করতে নিজ নিজ দলের কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ে নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করতে নানা কৌশল অবলম্বন করছেন। এরই মধ্যে প্রার্থীরা পোস্টার, ফেস্টুন ও ব্যানারে গোটা পৌর এলাকা ছেয়ে ফেলেছেন। এছাড়া ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবে অংশ নিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় ও সমর্থন আদায়ের চেষ্টা চালাচ্ছে। পাড়া মহল্লার প্রতিটি চায়ের দোকানে জমে উঠেছে নির্বাচনি আড্ডা। কোনও কোনও প্রার্থীও রাতভর এসব আড্ডায় অংশ নিচ্ছে। বিএনপির প্রার্থী এবারের নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান মেয়র অ্যাড. শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন। আর ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের হয়ে নির্বাচন করছেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মির্জা সাখাওয়াতুল আলম মনি। তবে এ দু’দল ছাড়া অন্য কোনও দলের প্রার্থীর মাঠে নেই।
জামালপুর পৌরসভায় বিএনপির একক প্রার্থী হিসেবে প্রচারণা এগিয়ে আছেন বিএনপির প্রার্থী ওয়ারেছ আলী। তিনি বলেন, ‘সরকারের দলীয় প্রতীকে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত ভোট গ্রহণকে প্রভাবিত করবে। তাছাড়া নির্বাচনে ভোট ডাকাতির ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।’
আর আওয়ামী লীগ প্রার্থী মির্জা সাখাওয়াতুল আলম মনি বলেন, ‘আমি সব সময় জনগণের সঙ্গে ছিলাম, আছি এবং থাকবো। এর আগেও আমি দু’বার পৌর চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলাম। সে সময়ে আমি জামালপুর পৌর এলাকায় উন্নয়ন করেছি। তারা অবশ্যই আমাকে ভোট দিয়ে জয়ী করবেন এই আশা করছি।’
জেলা জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির হোসেন খান বলেন, তাদের প্রার্থীরা প্রস্তুতি নিচ্ছেন, কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে।
অপরদিকে আসন্ন নির্বাচনে জাসদ, কমিউনিস্ট পার্টি, বাসদসহ বাম সংগঠনগুলো থেকেএখনও কোন প্রার্থীর নির্বাচনি প্রচারে দেখা যায়নি।
/এসটি/








