যশোরের চৌগাছা পৌরসভার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের প্রতিদ্বন্দ্বী দুই মেয়র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়া ও গোলাগুলি হয়েছে। শনিবার রাতে বিদ্রোহী প্রার্থী নৌকা প্রতীক পোড়ানো এবং এক কর্মীকে মারধরের ঘটনার জেরে এই সংঘর্ষ ঘটেছে বলে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, শনিবার গভীররাতে পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বেলের মাঠ বটতলা এলাকায় নৌকা প্রতীকে আগুন দেয় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী নারকেল গাছ প্রতীকের এসএম সাইফুর রহমান বাবুলের লোকজন। এরপর রবিবার সন্ধ্যার দিকে নৌকার প্রার্থী নূরউদ্দিন আল মামুন হিমেল একইস্থানে একটি নির্বাচনি পথসভা করেন। সভা চলাকালে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সভাস্থলে হিমেলের কর্মীরা আশিকুর রহমান নামে এক যুবককে মারধর করে। সেসময় পাশে উপস্থিত বাবুলের লোকজন তাদের ধাওয়া করে এবং সেখানে ৩-৪ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এসময় দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়া হয়।
সংবাদ পেয়ে চৌগাছা থানা পুলিশ সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে ফাঁকা ৫-৬ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। তবে এতে কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
এদিকে এ ঘটনার জেরে চৌগাছা উপজেলার চেয়ারম্যান ও উপজেলার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম হাবিবের ব্যক্তিগত অফিস ভাঙচুরের খবর পাওয়া গেছে। তবে এ বিষয়ে পুলিশ কিছু জানে না বলে জানিয়েছেন চৌগাছার ওসি ইলিয়াছ হোসেন।
নৌকা প্রতীকের প্রার্থী হিমেল বলেন, হেরে যাওয়ার ভয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী বাবুল ও তার নেতাকর্মীরা আমাদের ওপর হামলার পথ বেছে নিয়েছেন।
চৌগাছা থানার ওসি ইলিয়াছ হোসেন জানান, দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ থামাতে কয়েক রাউন্ড গুলি ছুড়তে হয়েছে। আর নারকেল গাছ প্রতীকের প্রার্থী বাবুলের একটি লাইসেন্সকৃত শর্টগান আছে। সেখান থেকে গুলি ছোড়া হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হবে।’
সংঘর্ষের বিষয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী এসএম সাইফুর রহমান বাবুলের সঙ্গে কথা বলার জন্য একাধিববার ফোনে কল করা হলে তিনি তা রিসিভ করেননি।
/এআর / এএইচ /








