অর্থ আত্মসাতের মামলা: সাহেদসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ১৬ আগস্ট

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
২৩ জুলাই ২০২০, ১৯:৪২আপডেট : ২৩ জুলাই ২০২০, ১৯:৪৪

মো. সাহেদ রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদসহ চার জনের বিরুদ্ধে এনআরবি ব্যাংকের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলার তদন্ত শেষে ১৬ আগস্ট প্রতিবেদন জমা দেওয়ায় নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ কে এম ইমরুল কায়েশ মামলার এজাহার গ্রহণ করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার এ তারিখ নির্ধারণ করেন। আদালতের সংশ্লিষ্ট সূত্র এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এরআগে, বুধবার (২২ জুলাই) দুদকের সহকারী পরিচালক মো. সিরাজুল হক বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

দুদকের পরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য জানান, ঢাকার সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০/১০৯ ধারাসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।

মামলার অপর আসামিরা হলেন- রিজেন্ট হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ইব্রাহিম খলিল, এনআরবি ব্যাংকের এসএমই ব্যাংকিংয়ের সাবেক প্রিন্সিপাল অফিসার মো. সোহানুর রহমান ও ভাইস প্রেসিডেন্ট ওয়াহিদ বিন আহমেদ।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতাল পরিচালনার পূর্ব অভিজ্ঞতা, অন্য ব্যাংকের লেনদেন বা বিনিয়োগের তথ্য যাচাই, ঋণ নিরাপত্তার পর্যাপ্ত জামানত সংগ্রহ না করেই সাহেদকে দুই দফায় দুই কোটি চার লাখ ৯০ হাজার ৯৮৭ টাকা ঋণ দেয় ব্যাংকটি। ঋণ নেওয়ার পর এই টাকা আর পরিশোধ করেননি সাহেদ। টাকা পরিশোধ না করায় সুদ এবং অন্যান্য চার্জসহ সাহেদের কাছে ব্যাংকের পাওনা হয়েছে দুই কোটি ৭০ লাখ ৭০ হাজার ২১৪ টাকা। তবে ঋণ মঞ্জুরির শর্তানুযায়ী এক কোটি টাকা এফডিআর করেছিলেন তিনি। দুই টার্মে দুই কোটি টাকা ঋণ পাবেন তা নিশ্চিত হওয়ার পরই এই এফডিআর করেন। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ টাকা উদ্ধার করতে না পারায় তার এফডিআর থেকে এক কোটি ১৮ লাখ ৮৯ হাজার ৩৪৯ টাকা সমন্বয় করা হয়। বর্তমানে সাহেদের কাছে ব্যাংকটির পাওনা আছে এক কোটি ৫১ লাখ ৮১ হাজার ৩৬৬ টাকা।

দুদক জানায়, চার আসামি পরস্পর যোগসাজশে এই টাকা আত্মসাৎ করেন বলে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে। টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ৬ জুলাই র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলমের নেতৃত্বে রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা ও মিরপুর কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়। এই সময় পরীক্ষা ছাড়াই করোনার সনদ দিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা ও অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়। এরপর ৭ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদফতরের নির্দেশে রিজেন্ট হাসপাতাল ও তার মূল কার্যালয় সিলগালা করে দেয় র‌্যাব। রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান সাহেদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে ওই দিনই উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা হয়। এরপর থেকে সাহেদ পলাতক ছিলেন। গত ১৫ জুলাই ভোরে ভারতে পালানোর সময় সাতক্ষীরা থেকে তাকে গ্রেফতার করে র‍্যাব।

/টিএইচ/টিটি/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম