নাগরিকদের চলাচলের সুবিধায় হাতিরঝিলে সার্কুলার বাস সার্ভিস চালু হয়েছে। এ রুটে আপাতত ছয়টি বাস চলবে।
এর মধ্যে চারটি ননএসি এবং দুটি এসি বাস। দূরত্ব ভেদে বাসের ভাড়া জনপ্রতি ১০-১৫ টাকা লাগবে। তবে পুরো হাতিরঝিল ঘুরতে জনপ্রতি লাগবে ৩০ টাকা করে। আর এসি বাসে ঘুরতে লাগবে ৩৫ টাকা।
ছয়টি স্থানে টিকিট কাউন্টার থাকবে। এগুলো হলো রামপুরা, মধুবাগ, এফডিসি, বৌবাজার, মেরুল বাড্ডা ও শ্যুটিংক্লাব। বাম থামবে ১১টি স্টপেজে। প্রাথমিক পর্যায়ে ননএসি বাস নামানো হয়েছে। এসি বাস দু'টি পরে নামবে।
বুধবার সকালে হাতিরঝিলের বেগুনবাড়ি প্রান্তে আয়োজিত এক অনুষ্ঠান এ বাস সার্ভিসের উদ্বোধন করেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশররফ হোসেন।
অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ২০১৬ সালের মধ্যে হাতিরঝিল প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। হাতিরঝিলের জলাশয়ে অ্যাম্ফিথিয়েটার, অপেরা হাউজ, রেস্তোরাঁসহ বিনোদনের ব্যবস্থা করা হবে। এতে পুরো এলাকার চেহারা পাল্টে যাবে। এখন যে সমস্যাগুলো আছে তা আর থাকবে না।
মন্ত্রী আরও বলেন, আগামী দেড় মাসের মধ্যে বিভিন্ন ভবনের পার্কিং স্পেস উদ্ধার করা হবে। নকশার ব্যতিক্রম ঘটিয়ে যেসব ভবনের ব্যবহার চলছে তা ঠিক করা হবে। এজন্য রাজধানী উন্নয়ন করপোরেশনকে (রাজউক) কঠোর হওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। তিনি বলেন, ‘এলাকাবাসী দরিদ্র হলেও হাতিরঝিলের উন্নয়নের স্বার্থে তারা জমি ছেড়ে বড় মনের পরিচয় দিয়েছেন।’ বৃষ্টির সময় হাতিরঝিলের আশেপাশে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। তিনি এ সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানান। হাতিরঝিলের রাস্তায় যাতে গাড়ি পার্কিং করা না হয় তা নিশ্চিত করতে পুলিশকে নির্দেশ দেন।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন গণপূর্ত সচিব মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর স্পেশাল ওয়ার্ক অর্গানাইজেশন (এসডাব্লিউও-পশ্চিম) এর মেজর জেনারেল সাইদ, রাজউক চেয়ারম্যান জি এম জয়নাল আবেদীন ভুইয়া প্রমুখ।
/ওএফ/এসটি/এফএস/








